শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

1

বকশীগঞ্জে পশ্চিম দত্তেরচরের বিলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, করেছেন আখতার মাস্টার ও লিটন আকন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বকশীগঞ্জে পশ্চিম দত্তেরচরের বিলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, করেছেন আখতার মাস্টার ও লিটন আকন্দ

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোর ইউনিয়নের পশ্চিম দত্তেরচর গ্রামের বিলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছেন বাট্টাজোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আখতার হোসেন মাস্টার ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিটন আকন্দ।

আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আলহাজ্ব আখতার হোসেন মাস্টার ঘটনাস্থলে গিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিটন আকন্দও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দ্রুত পানি বের হওয়ার ব্যবস্থা করেন।

স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থে আপাতত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলেও স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তারা। এ সময় জজ মিয়ার জমির ভেতর দিয়ে প্রায় ১০ ইঞ্চি ইটের উয়াল এর ড্রেন স্থাপন করে স্থায়ীভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার কথা জানান আখতার হোসেন মাস্টার ও চেয়ারম্যান লিটন আকন্দ।

এদিকে পানি জমে ফসলি জমির ক্ষতি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এক কৃষককে নগদ ২ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিটন আকন্দ বলেন, পানি নিষ্কাশনের কারণে কোনো কৃষকের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়ায় আখতার হোসেন মাস্টার ও লিটন আকন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা আশা করছেন, স্থায়ীভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হলে এলাকার কৃষকদের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা দূর হবে এবং ফসল উৎপাদনে স্বস্তি ফিরবে।

1

বকশীগঞ্জে অসহায় দুঃস্থদের মাঝে শুকনো খাবার ও চেক বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ এম
বকশীগঞ্জে অসহায় দুঃস্থদের মাঝে শুকনো খাবার ও চেক বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী

Oplus_131072

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

 

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নবনির্মিত অডিটোরিয়াম উদ্বোধন অসহায় দুঃস্থ পানিবন্দী মানুষের মাঝে গৃহ মন্জুরী চেক শুকনো খাবার ও ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগষ্ট)  উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রকৌশল  বিভাগ ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে  চেক শুকনো খাবার ও ঢেউটিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজুল হক।

অন্যানের মাঝে বক্তব্য রাখেন  সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আসমা-উল – হুসনা, বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, পৌর বিএনপির সভাপতি  আনিছুর জ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায় বিপ্লব সওদাগরসহ অনেকেই ।

এসময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাসহ দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে পৌর সভার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি।

1

শ্রীবরদী উপজেলার টিউমারে আক্রান্ত ১১ বছরের রাশেদ, অর্থের অভাবে অনিশ্চিত চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
শ্রীবরদী উপজেলার টিউমারে আক্রান্ত ১১ বছরের রাশেদ, অর্থের অভাবে অনিশ্চিত চিকিৎসা

 

শাওন আহাম্মেদ= স্টাফ রিপোর্টারঃ

“আমি বাঁচতে চাই”—১১ বছরের শিশু মো. রাশেদ মিয়ার এই আকুতি যেন নাড়া দিচ্ছে প্রতিটি মানবিক হৃদয়কে। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ৩ নম্বর কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের এই শিশুটি বর্তমানে পেটে টিউমার নিয়ে গুরুতর অসুস্থ। চিকিৎসকরা দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

যে বয়সে রাশেদের মাঠজুড়ে ছুটে বেড়ানোর কথা, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে সময় কাটানোর কথা, সেই বয়সেই তাকে লড়তে হচ্ছে কঠিন এক রোগের সঙ্গে। অসুস্থতার যন্ত্রণায় তার মুখের হাসি ম্লান হয়ে গেছে। এখন তার একটাই স্বপ্ন—সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া।

রাশেদের বাবা মো. রাকিব মিয়া একজন সাধারণ পরিবারের মানুষ। সন্তানের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ধার-দেনা করে অনেক অর্থ ব্যয় করেছেন। চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও অন্যান্য খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

একদিকে সন্তানের জীবন নিয়ে উৎকণ্ঠা, অন্যদিকে অর্থের অভাব—এই দুই দুশ্চিন্তায় দিশেহারা রাশেদের পরিবার। তাই সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের কাছে সন্তানের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও রাশেদের চিকিৎসার জন্য বড় সহায়তা হতে পারে। অনেক ছোট ছোট সহযোগিতা একত্রিত হলে হয়তো একটি শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে। আপনার দেওয়া একটি সহায়তা ফিরিয়ে দিতে পারে রাশেদের মুখের হাসি, এনে দিতে পারে নতুন জীবনের স্বপ্ন।

চিকিৎসায় সহযোগিতা

রাশেদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠানো যাবে—

বিকাশ/নগদ: ০১৭৫৫-৭৫৫২৯৯

শুধু আর্থিক সহযোগিতাই নয়, এই মানবিক আবেদনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেও রাশেদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। আপনার একটি শেয়ার হয়তো এমন কোনো হৃদয়বান মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে, যিনি তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসবেন।

বিশেষ অনুরোধ: আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর আগে রোগী, পরিবারের পরিচয়, চিকিৎসার কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ছোট্ট রাশেদের চোখে আবারও স্বপ্নের আলো ফিরুক, মুখে ফুটে উঠুক হাসি। সে সুস্থ হয়ে আবারও বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করুক, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক—এটাই এখন তার পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের একমাত্র প্রত্যাশা।

1

জামালগঞ্জে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
জামালগঞ্জে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি


‎সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
‎সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. কামাল উদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ এনে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
‎শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৩ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি শাহপুর বাঁধ বাজারে যান। সেখানে সরকারি কাজে উপস্থিত একজন সার্ভেয়ার বাঁধ বাজারের কয়েকটি দোকান নির্মাণ ও মালিকানা সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, দোকানগুলো প্রায় ২৫ বছর আগে মরহুম আব্দুল মান্নান চৌধুরী ওরফে তেলা মিয়া চৌধুরী নির্মাণ করেছিলেন। এ কথা বলার পরপরই রফিকুল ইসলাম বিন বারী ও তার স্ত্রী রবিকুল বেগম উত্তেজিত হয়ে তাকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের নির্দেশ দেন এবং ওই সময় পায়েল, খোকন, পল্লব, রিগানসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং সেখানে তিনি চিকিৎসা নেন।
‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রশ্নের উত্তরে নিজের জানা তথ্য প্রকাশ করাই তার অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কারণে কেন একজন নাগরিককে শারীরিক হামলার শিকার হতে হবে। এ ঘটনায় জামালগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি জিডি করেছেন তিনি।
‎সংবাদ সম্মেলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিবাদী রফিকুল ইসলাম বিন বারীর আপন ছোট বোন পারভীন আক্তার চৌধুরী এবং আপন ভাতিজা পরাগ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তারা বক্তব্যে অভিযোগ করেন, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত পারিবারিক ভূমি ও সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখল করে রেখেছেন রফিকুল ইসলাম বিন বারী। এসময় তারা রফিকুল ইসলাম বিন বারীর বিরুদ্ধে উত্তরাধিকারদের ভূমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব বিরোধের কারণে শুধু পরিবারের সদস্যরাই নয়, এলাকার সামাজিক সম্প্রীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
‎এব্যাপারে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম বিন বারী বলেন, আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন। সামাজিকভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।