বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

প্রভাবশালী যারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ট্যাক্স দেন না, যাদের কাছে অনেক বকেয়া তারা এবার আর কোনো ছাড় পাবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ মে, ২০২৫, ৭:৪৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রভাবশালী যারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ট্যাক্স দেন না, যাদের কাছে অনেক বকেয়া তারা এবার আর কোনো ছাড় পাবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

প্রভাবশালী যারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ট্যাক্স দেন না, যাদের কাছে অনেক বকেয়া তারা এবার আর কোনো ছাড় পাবে না। তাই স্বপ্রোণদিত হয়ে তাদের ট্যাক্স প্রদান করেন না হলে সিটি কর্পোরেশনের লোকজন তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়া বিরক্ত করবে ও আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

রবিবার (১১ মে ২০২৫) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পৌরকর মেলা ২০২৫ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, সাধারণ লোক কর দিতে চায় কিন্তু মানুষের ভ্রান্ত ধারণা আছে কর দেয়ার প্রক্রিয়া জটিল তাই তারা কর দিতে আসে না। এবার আমরা এই সমস্যার সমাধান করেছি। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পৌরকর অনলাইনে প্ৰদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ করা হয়েছে। ঘরে বসেই কর প্রদান করা যাবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা ডিএনসিসির অঞ্চলগুলোতে গণশুনানি করে দেখেছি নাগরিকদের রাস্তা, ড্রেনেজ ও সড়কবাতির চাহিদা অনেক সে অনুপাতে রাজস্ব আদায় নেই। রাজস্ব আদায় না হওয়ায় কারণ হিসেবে তিনি তিনটি বিষয় চিহ্নিত করেছি, প্রথমত ডিএনসিসির নতুন সংযুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের বেশিভাগ এলাকায় কর তালিকার অন্তর্ভুক্ত নেই। আবাসিক এলাকাগুলোতেও বাণিজ্যিক ব্যবহার হচ্ছে সেখান থেকে আমরা কোনো রাজস্ব পাচ্ছি না। নতুন করে হওয়া প্রচুর দোকান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে কর প্রদানের তালিকার আওতায় আনতে হবে।

তিনি এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, যারা কর দেয়া বা যারা কর দেয় না সবাইকেই সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সুবিধা দেয়া হয়ে থাকে, আমাদের জনবল সংকট রয়েছে স্থায়ী লোকবল নিয়োগ করতে গেলে সেখানে তাদের বেতন ভাতা দিতে রাজস্ব ব্যয় হচ্ছে, অবকাঠামো উন্নয়নে রাজস্বের বড় অংশ ব্যয় হয়। এই ব্যয়কে মাথায় রেখে আদায়ের লক্ষ্য পূরণ ও পৌরকর প্রদান সহজিকরণ করতে এই পৌরকর মেলার আয়োজন।

প্রশাসক বলেন, আমরা লক্ষ্য করে দেখেছি ডিএনসিসির এমন কিছু জায়গা আছে যেগুলো থেকে কর আদায় করা গেলে আমাদের উন্নয়ন ব্যয় এর চেয়ে আদায় বেশি হতো। উদাহরণসরূপ তিনি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, বসুন্ধরা সাথে আমরা আলোচনা করেছি তারা ট্যাক্স দিতে রাজি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১৮টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের আমরা গনশুনানির মাধ্যমে তাদেরকে কর প্রদান উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছি। মেলায় এসে কর দিলে তারা সুযোগ সুবিধা পাবে এবং এক টেবিলে বসে তাদের সকল সমস্যা সমাধান করতে পারবে। তারাও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক আক্ষেপ করে বলেন, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক ভাবে কর প্রদান করেন না। ইউনাইটেড হাসপাতালের আছে প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ট্যাক্স বকেয়া পরে আছে। তেমনি রেনেসাঁস হোটেল, ওয়েস্টিন হোটেল ও বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেও এমন পরিমান ট্যাক্স বকেয়া আছে। তারা সিটি কর্পোরেশন থেকে সর্বোচ্চ গ্রহণ করে অথচ ট্যাক্স প্রদান করে না এটা অনৈতিক।

তিনি আরও যুক্ত করে বলেন, কর তালিকা থাকা এমন ব্যক্তিদের মধ্যে নূন্যতম একলক্ষ টাকা কর বকেয়া আছে প্রায় পঁচিশ হাজার লোকের কাছে। কর তালিকার বাইরে আছে এর প্রায় পাচঁগুনের ও বেশি। মেলা পরবর্তী সময়ে আমরা কর তালিকায় সকল নাগরিকদের আনার জন্য এসেসমেন্টের জন্য লোক পাঠানো হবে। তাই, নাগরিকদের কাছে অনুরোধ আপনারা নিজেরা স্বপ্রোণদিত হয়ে কর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে পৌরকর প্রদান করেন। মেলায় আমরা ৭.৫ শতাংশ রিভেটের ব্যবস্থা রেখেছি। কোনো হয়রানি যেন না, সেজন্য অনলাইন প্রোটাল খোলা রাখা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স যেমন ঘরে বসে পাচ্ছেন তেমনি হোল্ডিং ট্যাক্স ও ঘরে বসে দেয়া যাবে।

প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের কর দেয়া দেশের প্রতি তাদের কর্তব্য। তাই সবাই কর প্রদান করুন। যাদের নিকট অনেক বেশি বকেয়া তাদেরকে অতিশিগ্রই ক্রোকের নোটিস প্রদান করা হবে।

তিনি বলেন, ঢাকাকে যদি আমার পরিবর্তন করতে চাই তাহলে সিটি কর্পোরেশনকে সাবলম্বী হতে হবে অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হলে সিটি কর্পোরেশন যেমন ২৪ ঘণ্টা আপনাদের পাশে আছে তেমনি আপনাদেরও ট্যাক্স দিয়ে আমাদের সাথে থাকতে হবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মোঃ কামরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেঃ জেনাঃ মোঃ মঈন উদ্দিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ সহ ডিএনসিসি কর্মকর্তাবৃন্দ।

1

হাটিকুমরুল রোড বাসস্ট্যান্ডে ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজীর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম
হাটিকুমরুল রোড বাসস্ট্যান্ডে ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজীর অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

হাটিকুমরুল গোলচত্বর,যা উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।সেখানে ঢাকা-বগুড়া মহানসড়কের ব্যস্ত বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়ভাবে ‘লতিফ বাহিনী’ নামে পরিচিত একটি সিন্ডিকেট দূরপাল্লার বাস থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে বলে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।
অভিযোগের মূল বিষয়
উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা, চট্টগ্রাম,সিলেট,কুমিল্লা ও কক্সবাজারগামী বাসগুলো থেকে প্রতি ট্রিপে ৫০০–১০০০ টাকা চাঁদা নেওয়া হয়।
অল্প যাত্রী তুললেও ৫০–১০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়।
সকাল ও দুপুরে শিফট ভাগ করে প্রায় ৪০–৫০ জন সদস্য চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ।
টাকা না দিলে বাসে যাত্রী তুলতে বাধা দেয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে,স্থানীয় এক রাজনৈতিক পরিচয়ধারী নেতা আবদুল লতিফ এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাসচালক ও স্টাফদের দাবি, চাঁদাবাজির কারণে তারা কার্যত জিম্মি।প্রতিবাদ করলে পরদিন স্ট্যান্ডে গাড়ি দাঁড় করাতে দেয়া হয় না।এতে ভাড়া বাড়িয়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা ও সলঙ্গা থানার পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লাপাড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মহাসড়কে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না।অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজী বন্ধ না হলে পরিবহন খাত ও সাধারণ যাত্রী উভয়ই দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে পড়বে।দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

1

আশুলিয়ায় মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
আশুলিয়ায় মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

 

সাভারঃ

আশুলিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

রবিবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮ টায় আশুলিয়ার আউকপাড়া আদর্শ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জিএম জুয়েল মিয়া (৫২) কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার মো: মনসুর উদ্দিন মিয়ার ছেলে এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মুজিব সেনা ঐক্য লীগের ঢাকা জেলা উত্তরের সভাপতি।

পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশের নির্দেশনায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন আউকপাড়া আদর্শগ্রাম এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আত্মগোপনে থাকা ঢাকা জেলা উত্তরের মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি জিএম জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আশুলিয়া থানার আউকপাড়া আদর্শ গ্রাম এলাকার বাসিন্দা ।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জিএম জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, হত্যা চেষ্টা, প্রতারণাসহ ৭ টি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আশুলিয়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মাহাবুব উল্লাহ সরকার বলেন, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতেই আমাদের এই অভিযান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রাতে জিএম জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

1

ডিবি যশোরের অভিযানে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স (WIN COREX) সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
ডিবি যশোরের অভিযানে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স (WIN COREX) সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মনা,  যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যশোরের এসআই(নিঃ)/মোঃ কামরুজ্জামান, এএসআই(নিঃ)/ সৈয়দ শাহীন ফরহাদ সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে একটা চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা কালে ২৮/০২/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ২১.৪৫ ঘটিকায় যশোর জেলার শার্শা থানাধীন ফরেস্ট পাড়াস্থ রিপন মটরস এর সামনে হতে মোঃ হাবিবুর রহমান (৫৫) এর ডান হাতে থাকা বস্তার মধ্যে হতে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স(WIN COREX) সহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে ইং- ০১/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আসামির নাম ও ঠিকানাঃ

১। নামঃ- মোঃ হাবিবুর রহমান (৫৫)
পিতাঃ- মৃত শামসুর রহমান
সাংঃ- উত্তর বুরুজ বাগান
থানাঃ- শার্শা
জেলাঃ- যশোর।

উদ্ধারঃ
১। ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স(WIN COREX), যার অবৈধ বাজারমূল্য অনুমান ২,৬২,৫০০ টাকা।