মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

গৌরবান্বিত বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের স্বাধীনতা ও বিজয় অক্ষুণ্ণ রাখতে চলমান সমস্যা সমাধানে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১২ দফা দাবী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৬:২৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
গৌরবান্বিত বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের স্বাধীনতা ও বিজয় অক্ষুণ্ণ রাখতে চলমান সমস্যা সমাধানে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১২ দফা দাবী

গোলাম আলী নাইম, ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

আজ ঐতিহাসিক ১৬ই ডিসেম্বর, গৌরবান্বিক বিজয় দিবস। জালিমদের জুলুমের প্রতিবাদে ইনসাফের দাবীতে ১৯৭১ সালের এই দিনে প্রায় নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরে ৩০ লক্ষ শহীদের জান কুরবানীর মাধ্যমে অর্জিত হয় এই স্বাধীন বাংলার বিজয়। আজ বিজয়ের ৫৩ বছর পূর্ণ হয়েছে। যে ইনসাফের দাবীতে, যে স্বাধীনতার দাবীতে এই বাংলার আপামর মুসলমান ছাত্র-শ্রমিক-জনতা জানবাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো সেই স্বাধীনতার কতটুকু অর্জিত হয়েছে তা চিন্তার বিষয়। আমরা একটি স্বাধীন ভুখন্ড আর শুধুমাত্র লাল-সবুজের একটি পতাকা নিয়েই কি সন্তুষ্ট? যে বৈষম্যের বিপরীতে ১৯৭১ এ রক্ত দেয়া হয়েছে আবার ২০২৪-এ রক্ত দেয়া হছে সেই বৈষম্য এখনও সংস্কারের নতুন ছদ্মাবরণে শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের এই দেশে রয়ে গেছে। উপরন্তু আরো নতুন নতুন ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত এদেশের মানুষের ঈমানী অনুভূতিকে আঘাত করে যাচ্ছে, প্রায় ৪০ কোটি মুসলমানের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এখনও মুসলমানেরা স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন করতে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে, পর্দানসীন নারীকে হেনস্তা করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ ক্ষুধার্ত রয়েছে। আর মুসলমানদের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ধর্মব্যবসায়ী ওলামায়ে ছু’রা এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক প্রতারক জালিম শাসকেরা কখনও ভীতি প্রদর্শন, কখনও সংস্কার, কখনও পরিবেশবাদ ইত্যাদি নানা অজুহাতে এদশের মানুষকে অন্ধকারের মধ্যে রেখে জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে। এটা পরিপূর্ণ স্বাধীনতা নয়, এটা প্রকৃত বিজয় নয়। অনেক কুরবানীর মাধ্যমে অর্জিত এই স্বাধীন বাংলাদেশে চলমান সমস্যা সমাধানে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা আজ ১০ দফা দাবী উত্থাপন করছি। আমাদের দাবীসমূহ হলোঃ

১ম দফা – নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক শানে কোন কুলাঙ্গার মানহানী করলে তার শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়ন করতে হবে। পাঠ্যক্রমে নূরে মুসজাসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক অন্তর্ভূক্ত করতে হবে এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম নির্ভর শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে। আরবী ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
২য় দফা- অবশ্যই এই্ দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। পাহাড়ি রাজাকারপুত্র উপজাতি সন্ত্রাসী দেবাশিষ রায়সহ যারা রাষ্ট্রদ্বীন ইসলামের বিরোধীতা করবে তাদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহী- ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে গ্রেফতার করে তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড শাস্তি দিতে হবে।
৩য় দফা- পর্দা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শেয়ার। পর্দা করা মুসলমানদের দ্বীনী অধিকার। মুসলমান মেয়েদেরকে পর্দা করেই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করা, পরীক্ষা দেয়া এবং সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে সসম্মানে চলাচল করার এবং অবস্থান করার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কেউ পর্দাকে কটাক্ষ করলে বা কেউ কোন পর্দানসীন নারীকে হেনস্তা করলে তাকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। পর্দাকে অবমাননার করার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখতে হবে।
৪র্থ দফা- গরুর গোস্ত খাওয়া হচ্ছে ইসলামের শেয়ার বা নিদর্শন। তাই দেশের সকল খাবার হোটেলে গরুর গোস্ত রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে। যে সমস্ত হোটেলে নো-বিফ লেখা থাকবে সেসমস্ত হোটেল বন্ধ ঘোষণা করতে হবে। দেশের সর্বত্র সকল বাজারে গোস্ত বিক্রেতাদেরকে অবশ্যই গরুর গোস্ত প্রতিদিন রাখতে হবে। প্রতিদিন গরু জবাই করতে পারবে। গরু জবাই করার জন্য কোন দিনকে নির্দিষ্ট করা যাবেনা। ভারতে গরুর গোস্তের জন্য মুসলমানকে শহীদ করার জন্য উগ্র হিন্দুদের শাস্তির দাবী রাষ্ট্রীয়ভাবে জানাতে হবে। ভারতের আসামে বা কোনো প্রদেশে গরুর গোস্ত নিষিদ্ধ করতে পারবেনা। গরুর গোস্ত নিষিদ্ধ সহ মুসলমানদের উপর কোনো প্রকার জুলুম করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার প্রতিবাদ করতে হবে।
৫ম দফা- বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে প্রতিদিন অসংখ্য সাধারণ মানুষ আহত হচ্ছেন। অনেকে ‘র‌্যাবিস’ নামক রোগে মারাও যাচ্ছে। কিন্তু তারপরও কতিপয় কুকুর পূজারী এনজিওদের কারণে এই সব কুকুর নিধন করা যাচ্ছে না। অথচ পবিত্র দ্বীন ইসলামে বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করার হুকুম। তাই মানুষের কল্যানের জন্য অবিলম্বে বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করতে হবে। পাশাপাশি কুকুর পূজারীদেরকে গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
৬ষ্ঠ দফা- নারিকেল জিনজিরা দ্বীপকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে। নারিকেল জিনজিরা দ্বীপে পর্যটন প্রবেশে কোনো প্রকার বাঁধা দেয়া যাবেনা। স্বাধীন বাংলার মানুষ দেশের সর্বত্র চলাচল করতে পারবে। এর জন্য আলাদা সরকারী অনুমতি নেয়ার নিয়ম বাতিল করতে হবে।
৭ম দফা- দেশের সর্বত্র একই আইন চলবে। এক দেশে দৃই আইন রাখাটা স্পষ্ট বৈষম্য। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের ও সারা দেশের মতই একই আইন চলতে হবে। পাহাড়ের রাজা প্রথা বাতিল করতে হবে। পাহাড়ের উপজাতিদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বলতে হবে, আদিবাসি বলা যাবেনা।
৮ম দফা- উগ্র হিন্দুত্ববাদ ও ইসকনসহ উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংকল সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে। যারা অখণ্ড ভারতের প্রচার করে তাদেরকে গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। এই দেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য করতে চাওয়ার অপরাধে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে শত্রুতা করার দায়ে ইসকন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদসহ সকল উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেতাদের ফাঁসি দিতে হবে।
৯ম দফা- মুসলমানদের পরিচয়ে থাকার পরও যেসম্ত ধর্মব্যবসায়ী ওলামায়ে ছূ’রা হিন্দুদের দালালী করে, মুসলমানদেরকে হিন্দুদের সাথে সম্প্রীতি করতে বলে, মন্দির পাহার দেয়, মুসলমানদেরকে পর্দার ব্যাপারে শিথিল হতে বলে তাদেরকে মুনাফিক এবং প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এদরকে সমাজচ্যূত করতে হবে। মুসলমানদের বাচতে হলে এসব উলামায়ে ছুদের বর্জন করতে হবে। এদের গ্রেফতার করে শরঈ শাস্তি বাস্তবায়িত করতে হবে।
১০ম দফা- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য এবং চিকিৎসা সেবার মূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে । দ্রব্যমূল্য এবং সেবামূল্যের উর্ধগতি রোধ করতে হবে।
১১তম দফা- বিজয় দিবস উদযাপন বা নববর্ষবরণ বা থার্টি ফাস্ট নাইটের নামে বেহায়াপনা, গানবাজনা, অশ্লীল কনসার্ট, মদপানসহ সকল হারাম কাজকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
১২তম দফা- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে ইহানত করার অপরাধে প্রধান উপদেষ্টাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। চট্টগ্রামের সুন্নী নেতা এনাম রোজার সাথে সহমত পোষণ করে আমরা দাবী করছি যে বা যারা উনার শানে মানহানি করবে তাদেরকে গ্রেফতার করে ফাঁসি দিতে হবে। সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের বিশ্বাসের সঙ্গে বেঈমানি করলে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকেও ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি পরিবেশবাদের মিথ্যা অজুহাতে নারিকেল দ্বীপকে সরকারীভাবে অবরোধ করার অপরাধে এবং দেশের মানুষের রুটি রুজির পথকে বাঁধাগ্রস্থ করার অপরাধে পরিবেশ উপদেষ্‌টা রেজওয়ানকেও বহিষ্কার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

সমাবেশে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার শতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব