বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৯ ১৪৩২

চিরিরবন্দরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ব্যবহার করে নকল মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৪৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চিরিরবন্দরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ব্যবহার করে নকল মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অভিযোগ

প্রসেনজিৎ চন্দ্র শর্মা দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্রাদি কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে নাম পরিবর্তন করে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা পেয়ে আসছেন জনৈক আওয়ামীলীগ নেতা নকল মুক্তিযোদ্ধা। দীর্ঘদিন পর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাড়িতে ফিরে আসলে এলাকায় তোলপাড় শুরু এবং বিষযটি জানাজানি হয়।প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযুদ্ধ করেও মর্যাদা বঞ্চিত হয়েছে তাদের মধ্যে একজন হলেন মোঃ আলম ওরফে চেমরু। ডাক নাম চেমড়ু। গত ১০ নভেম্বর/২৪ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলম চেমড়ু প্রকৃত তথ্য উল্লেখ ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ব্যবহার করে নকল মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অভিযোগ করে সুবিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের বড় হাশিমপুর গ্রামে এক গরীব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত. খড়কু মোহাম্মদ ও মৃত. গোলাপি বেগমের ৮ সন্তানের মধ্যে আলম ওরফে চেমড়ু সবার বড়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর এলাকার কয়েকজনকে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংয়ে যেতে দেখে নিজেকে আর স্থির রাখতে পারেন নি।

তাই তিনিও তার বাবা-মাকে না জানিয়ে দেশ-মাতৃকার টানে চুপিসারে একই এলাকার মৃত. মফিজ উদ্দিন এর ছেলে মোঃ নুরুল ইসলামের সাথে ভারতে পাড়ি জমান এমন সময় ট্রেনিং শেষ করে ওই এলাকার শামসুল হক ওরফে হুমায়ুন কবির, আশরাফ আলী, ইদ্রিস আলী (কালীগঞ্জ, চিরিরবন্দর) সহ আরও অনেকে ট্রেনিং থেকে ফেরার পথে দেখা হয় আলমের সাথে। পথিমধ্যে দেখা হওয়ায় এবং অস্ত্র সরবরাহে লোকবল কম থাকায় তাকে সাথে নিয়ে চলে আসে শামসুল হক ও আশরাফ আলী এবং ইদ্রিস আলী। তাকে তারাই ট্রেনিং দিবে বলে আশস্ত করে। ফলে আলম রাজী হয় এবং চলে আসে।

পরবর্তীতে তিনি উক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধে নেমে পড়েন। তিনি রাবেয়া মোড় থেকে দশমাইল পর্যন্ত কয়েকটি ব্রিজ স্থলমাইন দিয়ে ভেঙে দেয়ার সময় সাথে ছিলেন এবং অস্ত্র সরবরাহ করেন। এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া অস্ত্র দিয়ে চম্পাতলি বাজারের পশ্চিম দিকে সাতাশজান ব্রিজে সশস্ত্র যুদ্ধ করেন।পরবর্তীতে তাদের অপারেশন লিডার তোরাব আলী ও ইদ্রিস আলী চিরিরবন্দরে রেলব্রিজ ভাঙ্গার সময় আহত হলে তাঁদেরকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাকি সময় শামসুল হকের সাথে তিনি যুদ্ধ করেন। তখন আরও নতুন কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ভারত থেকে প্রশিক্ষণ শেষে তাদের সাথে যোগ দেন। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হলে তারা সবাই অস্ত্র জমা দিয়ে নিজ নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করেন।অন্যদিকে নুরুল ইসলাম যুদ্ধে যোগদান না করে ব্যবসার কাজে ভারতে থেকে যান এবং ব্যবসার কাজ শেষ করে বাড়িতে ফিরে আসেন। আলম ভারতে ট্রেনিংয়ের কাগজ না পেলেও অস্ত্র জমা দিয়েছিল শামসুল হক ওরফে হুমায়ুন কবির এবং আশরাফ আলীর সঙ্গে এবং অস্ত্র জমার কাগজ নিজ নিজ নিয়ে নেয়। এরপর বাসায় এসে আলম তার জীবিকা নির্বাহের জন্য বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে বেড়াতো।এরপর যখন মুক্তিযোদ্ধাদের রেশন দেয়া হয় সেসময় শামসুল হক মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলম চেমড়ুকে ডেকে তার কাছ থেকে অস্ত্র জমার কাগজ নিয়ে নেয় এবং তাকে অনুদান দেয়ার জন্য আশস্ত করে। ফলে সরলমনা আলম গরীব অসহায় হওয়ায় কিছু অনুদানের আশায় তা দিয়ে দেয়। এরপর আলমের কাছ থেকে কিছু অর্থ হিসেবে দাবি করে অন্যথায় কাজটি হবে না বলে জানিয়ে দেয়।

হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে আলম চেমড়ু টাকা দিতে না পারায় তাকে পরে কিছু দেয়া হবে এবং তার নাম মুক্তিযোদ্ধার খাতায় লিখে দিবে বলে আশস্ত করে। পরবর্তীতে তিনি কিছু না পাওয়ায় পাড়ি জমান জীবিকার অন্বেষনে চট্টগ্রামে। এরপর সুদীর্ঘ ২৫ বছর পরে গ্রামে ফিরে এসে দেখে তার নাম ব্যবহার করে অন্য আরেকজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম তুলেছে। অথচ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আলম চেমড়ু কিছুই জানে না।যিনি মুক্তিযোদ্ধা আলমের নাম ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন তিনি মূলত কোনো যুদ্ধই করেননি। বরং যুদ্ধের সময় তিনি ফতেজংপুর ইউনিয়নের দেবিগঞ্জ বাজারে দর্জির কাজ করতেন এবং ঘরজামাই ছিলেন। তার প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পরে আবার বিয়ে করেন বড় হাশিমপুর গ্রামে নাজি পাড়ায়। ২য় বিয়েটি যুদ্ধের কয়েক বছর পরে করেছেন এবং প্রথম এই এলাকায় বসবাস শুরু করেছেন। উল্লেখ্য তিনি একজন রিফিউজি হিসেবে ওই এলাকায় এসেছেন।তিনি ওই এলাকায় আলম খলিফা নামে পরিচিত। তার প্রকৃত নাম মোশাররফ হোসেন কিন্তু এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে আলম নাম ধারণ করেন যাতে আলম ওরফে চেমড়ু কখনো নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণ করতে না পারে। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় মোশাররফ হোসেন নামে তালিকাবদ্ধ হয়েছেন (মুক্তিবার্তা নং ০৩০৮০৭০১৯৮)। জানা যায় মোশাররফ হোসেন ওরফে আলম খলিফা তৎকালীন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সহায়তায় ইউনিয়ন কমান্ডারের সুপারিশে লাল মুক্তিবার্তায়ও তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

যা নিয়ে ওই এলাকায় প্রায়শই কথা ওঠে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আলম খলিফার বিরুদ্ধে। বিষয়টি আগেই টের পেয়ে অনেকবার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ঠিকানা পরিবর্তনের চেষ্টা করেন বিগত সময়ে। অন্যদিকে ইউনিয়ন কমান্ডার শামসুল হক ও মোশাররফ হোসেন আলমের আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় ওই এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না।এরপর বারবার ইউনিয়ন কমান্ডার শামসুল হক ওরফে হুমায়ুন কবিরকে বললেও তিনি আশস্ত করেন আগের মতোই। হতদরিদ্র মানুষটির কাছে আবারও অর্থ দাবি করে যেটা দিতে তিনি তখনও অপারগতা প্রকাশ করেন এবং আশাহত হয়ে ফিরে আসেন। উল্লেখ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জীবিত মুক্তিযোদ্ধা ও বয়োজ্যেষ্ঠ অনেক মানুষ আছেন যারা স্বচক্ষে দেখেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলম ওরফে চেমড়ু কে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে।তাঁদের দাবি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া হোক আর অমুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেয়া হোক। বর্তমানে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সবখানেই বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা চলছে।এ ব্যাপারে জানতে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ মমিনুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধ করেছে ঠিকই, কিন্তু তার কোন কাগজপত্রাদি নাই। অস্ত্র জমা দেয়ার কাগজ সম্পর্কে তার কোন জানা নাই।

1

নতুন মাদারীপুরে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদার গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
নতুন মাদারীপুরে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদার গ্রেফতার

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর এলাকায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলামগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন জেলা বিএনপি নেতা লাভলু হাওলাদারের বসতঘরসহ একাধিক বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কয়েকটি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের পর অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ জানায়, এর আগে দায়ের হওয়া একটি বিস্ফোরক ও মারামারির মামলায় আকতার হাওলাদার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। সেই মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

1

নবাবগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২২ পিএম
নবাবগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মোঃ রেজুয়ান বাদশা দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস–২০২৬ উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, নবাবগঞ্জের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক মহড়া প্রদর্শন করা হয় এবং এ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব।”
অনুষ্ঠানে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা মো. মাহব্বুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. আবু মুসা, তথ্য সেবা কর্মকর্তা আফরিনা খাতুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ে উপস্থিত সবাইকে সচেতন করা হয় এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

1

যশোর বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ প্রায় কোটি টাকা মুল্যের ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক হয়েছে।

মঙ্গলবার ১০ মার্চ বেনাপোল বন্দরের ১৫ নং শেডে বেনাপোল স্থলবন্দরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংবাদের  (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্মকর্তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব পাট বীজ আটক করে। এ সময় বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন উপস্থিতি ছিলেন।

বেনাপোল স্থল বন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আবু তালহা জানান, রোববার বেনাপোল  স্থল বন্দর দিয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাফাত এন্টার প্রাইজ ভারত থেকে ৪৫ মেট্রিক টন ঘাস বিজ উল্লেখ করে পাটের বীজ আমদানি করেন। পরে গোপন সংবাদে পণ্য চালানটিতে অভিযান চালিয়ে ১৭ টন পাট বীজ আটক করা হয়। মিথ্যা ঘোষনার অপরাধে অভিযুক্ত আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা  হয়েছে জানান তিনি।

এদিকে সচেতন মানুষেরা পরীক্ষা-নীরিক্ষা ছাড়াই নিম্নমানের বীজ দেশে প্রবেশ করায় ঝুঁকিতে পড়ছে কৃষি খাত। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা  গ্রহনের দাবি জানান তারা।