সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

চিরিরবন্দরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ব্যবহার করে নকল মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৪৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চিরিরবন্দরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ব্যবহার করে নকল মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অভিযোগ

প্রসেনজিৎ চন্দ্র শর্মা দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্রাদি কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে নাম পরিবর্তন করে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা পেয়ে আসছেন জনৈক আওয়ামীলীগ নেতা নকল মুক্তিযোদ্ধা। দীর্ঘদিন পর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাড়িতে ফিরে আসলে এলাকায় তোলপাড় শুরু এবং বিষযটি জানাজানি হয়।প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযুদ্ধ করেও মর্যাদা বঞ্চিত হয়েছে তাদের মধ্যে একজন হলেন মোঃ আলম ওরফে চেমরু। ডাক নাম চেমড়ু। গত ১০ নভেম্বর/২৪ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলম চেমড়ু প্রকৃত তথ্য উল্লেখ ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ব্যবহার করে নকল মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অভিযোগ করে সুবিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের বড় হাশিমপুর গ্রামে এক গরীব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত. খড়কু মোহাম্মদ ও মৃত. গোলাপি বেগমের ৮ সন্তানের মধ্যে আলম ওরফে চেমড়ু সবার বড়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর এলাকার কয়েকজনকে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংয়ে যেতে দেখে নিজেকে আর স্থির রাখতে পারেন নি।

তাই তিনিও তার বাবা-মাকে না জানিয়ে দেশ-মাতৃকার টানে চুপিসারে একই এলাকার মৃত. মফিজ উদ্দিন এর ছেলে মোঃ নুরুল ইসলামের সাথে ভারতে পাড়ি জমান এমন সময় ট্রেনিং শেষ করে ওই এলাকার শামসুল হক ওরফে হুমায়ুন কবির, আশরাফ আলী, ইদ্রিস আলী (কালীগঞ্জ, চিরিরবন্দর) সহ আরও অনেকে ট্রেনিং থেকে ফেরার পথে দেখা হয় আলমের সাথে। পথিমধ্যে দেখা হওয়ায় এবং অস্ত্র সরবরাহে লোকবল কম থাকায় তাকে সাথে নিয়ে চলে আসে শামসুল হক ও আশরাফ আলী এবং ইদ্রিস আলী। তাকে তারাই ট্রেনিং দিবে বলে আশস্ত করে। ফলে আলম রাজী হয় এবং চলে আসে।

পরবর্তীতে তিনি উক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধে নেমে পড়েন। তিনি রাবেয়া মোড় থেকে দশমাইল পর্যন্ত কয়েকটি ব্রিজ স্থলমাইন দিয়ে ভেঙে দেয়ার সময় সাথে ছিলেন এবং অস্ত্র সরবরাহ করেন। এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া অস্ত্র দিয়ে চম্পাতলি বাজারের পশ্চিম দিকে সাতাশজান ব্রিজে সশস্ত্র যুদ্ধ করেন।পরবর্তীতে তাদের অপারেশন লিডার তোরাব আলী ও ইদ্রিস আলী চিরিরবন্দরে রেলব্রিজ ভাঙ্গার সময় আহত হলে তাঁদেরকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাকি সময় শামসুল হকের সাথে তিনি যুদ্ধ করেন। তখন আরও নতুন কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ভারত থেকে প্রশিক্ষণ শেষে তাদের সাথে যোগ দেন। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হলে তারা সবাই অস্ত্র জমা দিয়ে নিজ নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করেন।অন্যদিকে নুরুল ইসলাম যুদ্ধে যোগদান না করে ব্যবসার কাজে ভারতে থেকে যান এবং ব্যবসার কাজ শেষ করে বাড়িতে ফিরে আসেন। আলম ভারতে ট্রেনিংয়ের কাগজ না পেলেও অস্ত্র জমা দিয়েছিল শামসুল হক ওরফে হুমায়ুন কবির এবং আশরাফ আলীর সঙ্গে এবং অস্ত্র জমার কাগজ নিজ নিজ নিয়ে নেয়। এরপর বাসায় এসে আলম তার জীবিকা নির্বাহের জন্য বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে বেড়াতো।এরপর যখন মুক্তিযোদ্ধাদের রেশন দেয়া হয় সেসময় শামসুল হক মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলম চেমড়ুকে ডেকে তার কাছ থেকে অস্ত্র জমার কাগজ নিয়ে নেয় এবং তাকে অনুদান দেয়ার জন্য আশস্ত করে। ফলে সরলমনা আলম গরীব অসহায় হওয়ায় কিছু অনুদানের আশায় তা দিয়ে দেয়। এরপর আলমের কাছ থেকে কিছু অর্থ হিসেবে দাবি করে অন্যথায় কাজটি হবে না বলে জানিয়ে দেয়।

হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে আলম চেমড়ু টাকা দিতে না পারায় তাকে পরে কিছু দেয়া হবে এবং তার নাম মুক্তিযোদ্ধার খাতায় লিখে দিবে বলে আশস্ত করে। পরবর্তীতে তিনি কিছু না পাওয়ায় পাড়ি জমান জীবিকার অন্বেষনে চট্টগ্রামে। এরপর সুদীর্ঘ ২৫ বছর পরে গ্রামে ফিরে এসে দেখে তার নাম ব্যবহার করে অন্য আরেকজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম তুলেছে। অথচ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আলম চেমড়ু কিছুই জানে না।যিনি মুক্তিযোদ্ধা আলমের নাম ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন তিনি মূলত কোনো যুদ্ধই করেননি। বরং যুদ্ধের সময় তিনি ফতেজংপুর ইউনিয়নের দেবিগঞ্জ বাজারে দর্জির কাজ করতেন এবং ঘরজামাই ছিলেন। তার প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পরে আবার বিয়ে করেন বড় হাশিমপুর গ্রামে নাজি পাড়ায়। ২য় বিয়েটি যুদ্ধের কয়েক বছর পরে করেছেন এবং প্রথম এই এলাকায় বসবাস শুরু করেছেন। উল্লেখ্য তিনি একজন রিফিউজি হিসেবে ওই এলাকায় এসেছেন।তিনি ওই এলাকায় আলম খলিফা নামে পরিচিত। তার প্রকৃত নাম মোশাররফ হোসেন কিন্তু এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে আলম নাম ধারণ করেন যাতে আলম ওরফে চেমড়ু কখনো নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণ করতে না পারে। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় মোশাররফ হোসেন নামে তালিকাবদ্ধ হয়েছেন (মুক্তিবার্তা নং ০৩০৮০৭০১৯৮)। জানা যায় মোশাররফ হোসেন ওরফে আলম খলিফা তৎকালীন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সহায়তায় ইউনিয়ন কমান্ডারের সুপারিশে লাল মুক্তিবার্তায়ও তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

যা নিয়ে ওই এলাকায় প্রায়শই কথা ওঠে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আলম খলিফার বিরুদ্ধে। বিষয়টি আগেই টের পেয়ে অনেকবার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ঠিকানা পরিবর্তনের চেষ্টা করেন বিগত সময়ে। অন্যদিকে ইউনিয়ন কমান্ডার শামসুল হক ও মোশাররফ হোসেন আলমের আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় ওই এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না।এরপর বারবার ইউনিয়ন কমান্ডার শামসুল হক ওরফে হুমায়ুন কবিরকে বললেও তিনি আশস্ত করেন আগের মতোই। হতদরিদ্র মানুষটির কাছে আবারও অর্থ দাবি করে যেটা দিতে তিনি তখনও অপারগতা প্রকাশ করেন এবং আশাহত হয়ে ফিরে আসেন। উল্লেখ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জীবিত মুক্তিযোদ্ধা ও বয়োজ্যেষ্ঠ অনেক মানুষ আছেন যারা স্বচক্ষে দেখেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলম ওরফে চেমড়ু কে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে।তাঁদের দাবি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া হোক আর অমুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেয়া হোক। বর্তমানে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সবখানেই বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা চলছে।এ ব্যাপারে জানতে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ মমিনুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধ করেছে ঠিকই, কিন্তু তার কোন কাগজপত্রাদি নাই। অস্ত্র জমা দেয়ার কাগজ সম্পর্কে তার কোন জানা নাই।

1

যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক দের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক দের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে,
বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর শ্রমিকদের দের কাছে দোয়া চাইলেন, ৮৫ যশোর -১ (শার্শা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।

রবিবার ( ৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬) সকাল ৯ টার সময় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর মিটিং কক্ষে, হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি
তবিবুর রহমান তবি ও ৯২৫ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী কে নিয়ে,স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং হাজার হাজার সাধারণ লেবার শ্রমিকদের কাছে দোয়া চাইলেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

এ সময় আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন বলেন,আগামী নির্বাচনে জয়ী হলে, বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিকদের জন্য একটি আধুনিক মানের হসপিটাল নির্মাণ করবো,শার্শা উপজেলাকে একটি আধুনিক, সন্ত্রাসমুক্ত ও শান্তিময় জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, “প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। জনগণ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও তাদের অধিকার ফিরে পেতে নির্বাচনের অপেক্ষায় উন্মুখ হয়ে আছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ সভাপতি ইদ্রিস মালেক, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তবিবুর রহমান তবি,সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মজিদ,সহ-সাধারণ সম্পাদক(২) মোঃ জিয়াউর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী ডাক্তার, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সবুজ হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক,বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্বাস আলী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান,মোঃ ইছাহক মেম্বার,মোঃ জুলু মেম্বার,লিংকন মেম্বার,লেবার সরদার মোঃ হাসেম আলীসহ ৯২৫ এর সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমিক বৃন্দ্যরা উপস্থিত ছিলেন।

1

তাড়াশে ধানের শীষের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
তাড়াশে ধানের শীষের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত

সাহেদ আলী= সিরাজগঞ্জ :

১২ ফেব্রুয়ারির ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হকের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ‎রবিবার বিকেলে তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে আয়োজিত এ জনসভাটি জনসমুদ্রে রুপ নেয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মাঠে এসে জড়ো হন।স্লোগান,ব্যানার-ফেস্টুন ও ধানের শীষের প্রতীকে মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
‎এ জনসভায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স.ম আফসার আলীর সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
‎‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্ময় খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর।সাবেক এমপি মরহুম আব্দুল মান্নান তালুকদারের পুত্র,জেলা বিএনপির সদস্য রাহিদ মান্নান লেনিন,
‎‎জনসভাটি সঞ্চালনা করেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান টুটুল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,
‎তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তপন গোস্বামী,পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকার,উপজেলা যুবদলের  আহব্বায়ক এফ এম শাহআলম, সদস্য সচিব রাজীব আহম্মেদ মাসুম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ ফকির, সদস্য সচিব খন্দকার শাহাদাৎ হোসেন, তাড়াশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন, সদস্য সচিব সাইফুল খান,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা,সদস্য সচিব হাসান মির্জা সহ
‎উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ।


1

হাসপাতাল থেকে ফিরেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
হাসপাতাল থেকে ফিরেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

সাহেদ আলী=সিরাজগঞ্জ :

১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪, (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী তার সহধর্মিনী ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তাকে বিজয়ী করতে সলঙ্গার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দবিরগঞ্জ বাজার,সুতাহাটি বাজার,চৈত্রহাটি বাজার, মাহমুদপুর বাজার,অলিদহ বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আফছার উদ্দিন।
আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন বাজার ও গ্রামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে ভোট প্রার্থনা ও মতবিনিময় সভা করেন। উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী নির্বাচিত হওয়ার পর সব সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতির আশ্বাস দেন। আফছার উদ্দিন জানান,গত ২৭ জানুয়ারী রাতে হঠাৎ স্ট্রোক করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমি কিছুটা সুস্থ হয়ে আবার আপনাদের কাছে এসেছি। আমার খুব ভালো লাগছে অনেকেই আমার শারীরিক খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং সবার আন্তরিক দোয়ায় আল্লাহ পাক আমাকে সুস্থ করে আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে এনেছেন। এ জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন,উল্লাপাড়া-সলঙ্গা অঞ্চলের উন্নয়নের রুপকার এম আকবর আলীর জন্য দোয়া ও ধানের শীষে ভোট চাইতে এসেছি। নিশ্চয়ই তিনি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য ভালো কিছু করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু মুসা সরকার,কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হাফিজুর রহমান সরকার, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক পদপ্রার্থী আব্দুল মালেক মেম্বর,থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ,যুগ্ম আহবায়ক আহবায়ক এম আরিফুল ইসলাম,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদ রানা,থানা সাইবার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা-সহ প্রমুখ।