বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২

মানিকগঞ্জে ডোবায় শাপলা তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪, ৭:৩০ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মানিকগঞ্জে ডোবায় শাপলা তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

ডেক্স রিপোর্ট :

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ডোবায় শাপলা তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মাদ্রাসা পড়ুয়া দুই শিশুর অকাল মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দিঘী ইউনিয়নের কয়রা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার দিঘী ইউনিয়নের কাগজিনগর গ্রামের প্রবাসী মো. রুবেল কাজীর মেয়ের আনহা আক্তার (৭) ও একই ইউনিয়নের খরসতাই গ্রামের মো. সিনহা আক্তার (৮)। নিহত দুই শিশু কয়রা গ্রামের মাদ্রাসাতুল ওহি-আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার কেজি ওয়ানের শিক্ষার্থী। তারা দুজনই বান্ধবী ছিল।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজকে সকালে নিহত দুই শিশুর মাদ্রাসায় পরীক্ষা ছিল। এজন্য দুজনেই সকালে বাড়ি থেকে পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসায় যায়। সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে পরীক্ষা। এর পর মাদ্রাসার পরীক্ষা শেষে চার থেকে পাঁচজন শিশু মিলে নিহত শিশু আনহা আক্তারের বাড়িতে পোশাকসহ পরীক্ষার হার্ডবোর্ড রেখে কয়রা গ্রামের চকে শাপলা ফুল তুলতে যায়। শাপলা ফুল তুলে ফেরার সময় নিহত দুই শিশু ডোবায় পরে যায়। সাঁতার না জানার কারণে তারা ধীরে ধীরে পানিতে ডুবে যায়।

পরীক্ষা শেষে নিহতরা বাড়ি ফিরে না যাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজাখুঁজি করে। অনেক খোঁজ করার পরেও তাদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে শাপলা তুলতে যাওয়া শিশুদের মধ্যে তানিসা নামের এক শিশু তার মায়ের কাছে ঘটনাটি বলে। পরে প্রায় এক ঘণ্টা পরে ওই মাদ্রাসার দুইজন শিক্ষকসহ স্থানীয় লোকজন গিয়ে শিশু দুজনকে ডোবা থেকে উদ্ধার করে। এর পর শিশু আনহাকে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও শিশু সিনহাকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনা জানার পরে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

নিহত শিশু আনহার দাদা আবদুল হালিম বলেন, আমরার নাতনি আজকে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মাদ্রাসায় যায়। পরীক্ষা শেষে বাড়ি না আসায় চিন্তা পরে যাই। পরে স্থানীয় লোকজনের কাছে শুনতে পারি আমার নাতনি শাপলা তুলতে গিয়ে পানিতে পরে গেছে। নাতনি বাড়িতে ঠিকই আসলো কিন্তু জীবিত না, লাশ হয়ে।

কয়রা গ্রামের বাসিন্দা মো. লিটন খান বলেন, কয়েকজন শিশু মিলে কয়রা চকে শাপলা ফুল তুলতে গিয়েছিল। যেখানে ফুল তুলতে ছিল তার পাশেই একটি ডোবা আছে। শুষ্ক মৌসুমে সেখানে ভেকু দিয়ে মাটি কেটেছিল। ফুল তুলে ফেরার সময় হয়তো পাশের ডোবায় শিশু দুটি পরে গিয়েছিল।

এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম আমান উল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, শিশু দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

1

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

আনোয়ার হোসেন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে জনাব মোঃ আজমুল হক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ঢাকা মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সভা কক্ষে এই মত বিনিময় সভা শুরু হয় । অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)ঢাকা মোঃ আজমুল হক ,মির্জাপুর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৭ মির্জাপুর আসনে নির্বাচন বিশৃঙ্খলা মুক্ত সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন হয় সে লক্ষ্যে সকলেই কাজ করবেন । মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন , সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ তারেক আজিজ , মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ও সি )আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন ।

1

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সৌজন্য সাক্ষাৎ

 

আনোয়ার হোসেন:

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সাংবাদিকবৃন্দ ।
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মহোদয়ের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংবাদিকদের সাথে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন মির্জাপুর একটি শান্তিপূর্ণ উপজেলা । তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ প্রকাশ করার কথা বলেন এবং সব সময় সাংবাদিকদের প্রয়োজনে পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান,।সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান অরেঞ্জ , সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুবেল মিয়া , প্রচার সম্পাদক সাইদুর রহমান শাকিল , দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া ,কার্যকারী সদস্য আনোয়ার হোসেন আবিদ ,মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম ।

1

গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

গ্রাম আদালতের বিচার্য মামলা কোনো অবস্থাতেই শালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে না—এমন মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু।
গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, কাজীবাকাই ও ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি জানান, বালিগ্রাম ইউনিয়নে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৭৩টি মামলা দায়ের হয় এবং সবগুলোই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।
অপরদিকে কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদে একই সময়ে মোট ৬৬টি মামলা দায়ের, ৬৬টি নিষ্পত্তি এবং ৬৬টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এখানে আদায়কৃত মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা।
ডাসার ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৪৪টি মামলা দায়ের হয়। এছাড়া উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ১টি মামলাসহ মোট ৪৫টি মামলা গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরও বলেন, গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে এবং এজলাসে বসেই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে।
তিনি জানান, গ্রাম আদালতে দেওয়ানি মামলার ফি মাত্র ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ফি ১০ টাকা। এ ছাড়া আদালতে কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয় না। নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের শুনানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ আল মামুন, ডাসার উপজেলা (মাদারীপুর)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন, বালিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও, কাজীবাকাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এএসিও এবং ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এএসিওসহ গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।