শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ৩০ ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ৩০ ১৪৩২

টেকনাফ কলেজ শিক্ষককের হত্যার বিচার নীরবে কাঁদেঃ প্রতিকার চেয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:৫৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
টেকনাফ কলেজ শিক্ষককের হত্যার বিচার নীরবে কাঁদেঃ প্রতিকার চেয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

জামাল উদ্দীন,জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার:

টেকনাফ সরকারি ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মোঃ শামসুল আলম হত্যার ১০ বছরে ও শেষ হয়নি বিচার কার্যক্রম। ইতিমধ্যে সকল আসামী জমিনে মুক্তি পেয়ে মামলার বাদি নিহতের স্ত্রী দিলসাদ বেগমকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছেন কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও মামলার বাদি।

তাই দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষ করে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে কলেজ প্রাঙ্গনে মানববন্ধব ও পরে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধন উত্তর সমাবেশে টেকনাফ কলেজের অধ্যাপক সন্তোষ কুমার শীল বলেন, একজন শিক্ষককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার ১০ বছরেও বিচার হয়নি। আসামিদের একজন মারা গেলেও অন্যরা জামিনে রয়েছে। তারা বাদিকে মামলা প্রত্যাহার এবং সাক্ষীদের আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে বাঁধা দিচ্ছে। একজন সহকর্মী শিক্ষক হিসেবে রাষ্ট্রকে বিচার নিশ্চিত করার আবেদন জানাচ্ছি।

অধ্যাপক সিরাজুল হক সিরাজ বলেন, বাংলা বিভাগের এই সহকর্মী শিক্ষককে দিন দুপুরে কারা হামলা করেছিল এলাকার সকলেই জানান। অথচ এই মামলাটি বছরের পর বছর আটকে আছে। রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শন করে আসামি প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। আমরা দ্রুত বিচারের দাবি জানাই।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামসুল আলম, অধ্যাপক মাঈন উদ্দিন, অধ্যাপক আব্দুল গফুর, অধ্যাপক মোজাম্মেল হক, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম প্রাক্তন শিক্ষার্থী গিয়াস উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম ও বতমান শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমান, মোহাম্মদ শফিক প্রমুখ।

২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর বিকালে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল কলেজ শিক্ষক মো. শামসুল আলমকে। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম মহেশখালীয়াপাড়ার মৃত ফজল করিমের ছেলে।

আদালত থেকে প্রাপ্ত মামলার নথিপত্র বলছে, ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর শুক্রবার প্রকাশ্যে শামসুল আলমের ওপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে তাঁকে কক্সবাজার হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর অবস্থা অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। কিন্তু পথেই গাড়িতে থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর নিহতের স্ত্রী দিলাসাদ বেগম বাদি হয়ে ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে টেকনাফ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে পরের বছর পুলিশ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। যেখানে ৩ জনকে। অভিযুক্ত আসামীর কেউ বর্তমানে কারাগারে নেই।

মামলার বাদি দিলসাদ জানান,জামিনে মুক্তি পাওয়া মো হাসান ইতিমধ্যে মারা গেছেন। এখন মামলা প্রত্যাহার করতে হুমকি এবং সাক্ষিদের নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।

##

1

নতুন মাদারীপুরে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদার গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
নতুন মাদারীপুরে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদার গ্রেফতার

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর এলাকায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলামগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন জেলা বিএনপি নেতা লাভলু হাওলাদারের বসতঘরসহ একাধিক বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কয়েকটি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের পর অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ জানায়, এর আগে দায়ের হওয়া একটি বিস্ফোরক ও মারামারির মামলায় আকতার হাওলাদার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। সেই মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

1

নবাবগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২২ পিএম
নবাবগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মোঃ রেজুয়ান বাদশা দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস–২০২৬ উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, নবাবগঞ্জের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক মহড়া প্রদর্শন করা হয় এবং এ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব।”
অনুষ্ঠানে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা মো. মাহব্বুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. আবু মুসা, তথ্য সেবা কর্মকর্তা আফরিনা খাতুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ে উপস্থিত সবাইকে সচেতন করা হয় এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

1

যশোর বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ প্রায় কোটি টাকা মুল্যের ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক হয়েছে।

মঙ্গলবার ১০ মার্চ বেনাপোল বন্দরের ১৫ নং শেডে বেনাপোল স্থলবন্দরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংবাদের  (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্মকর্তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব পাট বীজ আটক করে। এ সময় বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন উপস্থিতি ছিলেন।

বেনাপোল স্থল বন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আবু তালহা জানান, রোববার বেনাপোল  স্থল বন্দর দিয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাফাত এন্টার প্রাইজ ভারত থেকে ৪৫ মেট্রিক টন ঘাস বিজ উল্লেখ করে পাটের বীজ আমদানি করেন। পরে গোপন সংবাদে পণ্য চালানটিতে অভিযান চালিয়ে ১৭ টন পাট বীজ আটক করা হয়। মিথ্যা ঘোষনার অপরাধে অভিযুক্ত আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা  হয়েছে জানান তিনি।

এদিকে সচেতন মানুষেরা পরীক্ষা-নীরিক্ষা ছাড়াই নিম্নমানের বীজ দেশে প্রবেশ করায় ঝুঁকিতে পড়ছে কৃষি খাত। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা  গ্রহনের দাবি জানান তারা।