বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

হাজারো কৃষকের স্বপ্ন মাটির সাথে মিশে গেলো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪, ৪:৫৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাজারো কৃষকের স্বপ্ন মাটির সাথে মিশে গেলো

 

মো: রনি, ধনবাড়ী টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছে । দমকা হাওয়া এবং একটানা শিলাবৃষ্টিতে আমন ধানের গাছ জমিতে শুয়ে পড়েছে । শিলার আঘাতে ধানের প্রতিটা শীষ থেকে ধান জমিতে পড়ে গেছে । কোথায় কোথায় বৃষ্টির পানি জমে ধানের সম্পূর্ণ গাছ জমে থাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

এই অবস্থা দেখা গেছে ধনবাড়ীর প্রতিটা ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে । কিছু কিছু ধান কাটার উপযোগী হওয়ায় শুধু মাত্র শ্রমিক খরচ বেশি হওয়ার জন্য ধান কাটতে কৃষকের দেরী হওয়াতে সে সব জমির ধান ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে । নুয়ে পড়া ধান কাটতে এখন কৃষকের শ্রমিক বেশি লাগবে অপরদিকে পাকা ধান শিলার আঘাতে ঝরে পড়ায় ধান বিক্রি করে ধান কাটার খরচই উঠবে না বলে জানিয়েছেন মুশুদ্দির কৃষক হিরা প্রামাণিক।

ধনবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের চালাষ নিবাসী মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন ,’ আমার মাইছাকুড়ি বন্দে ১ বিঘা রনজিৎ ধান গতরাতের শিলাবৃষ্টিতে সম্পূর্ণ শুয়ে পড়েছে । একই অবস্থা হইলাকুড়ি বন্দেও ।

সেখানে ২ বিঘা জমির রনজিৎ এবং খিসামত ধান মাটিতে মিশে গেছে। আমার মতো সকল কৃষক যারা আমন ধান চাষ করেছেন তারা সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত। এদিকে আমন ধানের পাশাপাশি আলু পেঁয়াজ ক্ষেতেরও প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ধনবাড়ীতে । পেঁয়াজ এবং আলু আবাদের জন্য চাষকৃত জমিতে বৃষ্টির পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে গেছে । রোদে জমি শুকিয়ে এলে পুনরায় জমিতে হালচাষ করতে হবে । এক্ষেত্রে আবাদ যেমন পিছিয়ে যাবে খরচও বেশি হবে।

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাসুদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,’ এবার ধনবাড়ী উপজেলায় সর্বমোট ৯৯৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে । শিলাবৃষ্টিতে যেসব ধানের গাছ জমে যাওয়া পানিতে শুয়ে পড়েছে সেসব ধানের গাছ শীষ সহ জাগিয়ে দিতে পারলে ক্ষতি অনেকটা পুষিয়ে আনা যাবে ।

অনেক জমিতে ধান গাছ শুয়ে পড়লেও ফলনের তেমন ক্ষতি হবে না । পেঁয়াজ এবং আলু চাষে কিছুটা ক্ষতি হলেও সঠিক পরিচর্যায় ধকল কাটিয়ে উঠা সম্ভব।

তিনি বলেন,’ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বৃন্দ আজ বুধবার সকাল থেকেই ধনবাড়ীর বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ধান এবং আলু- পেঁয়াজ চাষের জমিতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে কৃষকদের সাথে কথা বলে সঠিক পরামর্শ দিচ্ছেন এবং সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের চেষ্টা করছেন।

1

হাটিকুমরুল রোড বাসস্ট্যান্ডে ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজীর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম
হাটিকুমরুল রোড বাসস্ট্যান্ডে ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজীর অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

হাটিকুমরুল গোলচত্বর,যা উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।সেখানে ঢাকা-বগুড়া মহানসড়কের ব্যস্ত বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়ভাবে ‘লতিফ বাহিনী’ নামে পরিচিত একটি সিন্ডিকেট দূরপাল্লার বাস থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে বলে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।
অভিযোগের মূল বিষয়
উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা, চট্টগ্রাম,সিলেট,কুমিল্লা ও কক্সবাজারগামী বাসগুলো থেকে প্রতি ট্রিপে ৫০০–১০০০ টাকা চাঁদা নেওয়া হয়।
অল্প যাত্রী তুললেও ৫০–১০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়।
সকাল ও দুপুরে শিফট ভাগ করে প্রায় ৪০–৫০ জন সদস্য চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ।
টাকা না দিলে বাসে যাত্রী তুলতে বাধা দেয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে,স্থানীয় এক রাজনৈতিক পরিচয়ধারী নেতা আবদুল লতিফ এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাসচালক ও স্টাফদের দাবি, চাঁদাবাজির কারণে তারা কার্যত জিম্মি।প্রতিবাদ করলে পরদিন স্ট্যান্ডে গাড়ি দাঁড় করাতে দেয়া হয় না।এতে ভাড়া বাড়িয়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা ও সলঙ্গা থানার পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লাপাড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মহাসড়কে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না।অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজী বন্ধ না হলে পরিবহন খাত ও সাধারণ যাত্রী উভয়ই দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে পড়বে।দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

1

আশুলিয়ায় মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
আশুলিয়ায় মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

 

সাভারঃ

আশুলিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

রবিবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮ টায় আশুলিয়ার আউকপাড়া আদর্শ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জিএম জুয়েল মিয়া (৫২) কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার মো: মনসুর উদ্দিন মিয়ার ছেলে এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মুজিব সেনা ঐক্য লীগের ঢাকা জেলা উত্তরের সভাপতি।

পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশের নির্দেশনায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন আউকপাড়া আদর্শগ্রাম এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আত্মগোপনে থাকা ঢাকা জেলা উত্তরের মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি জিএম জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আশুলিয়া থানার আউকপাড়া আদর্শ গ্রাম এলাকার বাসিন্দা ।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জিএম জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, হত্যা চেষ্টা, প্রতারণাসহ ৭ টি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আশুলিয়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মাহাবুব উল্লাহ সরকার বলেন, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতেই আমাদের এই অভিযান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রাতে জিএম জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

1

ডিবি যশোরের অভিযানে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স (WIN COREX) সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
ডিবি যশোরের অভিযানে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স (WIN COREX) সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মনা,  যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যশোরের এসআই(নিঃ)/মোঃ কামরুজ্জামান, এএসআই(নিঃ)/ সৈয়দ শাহীন ফরহাদ সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে একটা চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা কালে ২৮/০২/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ২১.৪৫ ঘটিকায় যশোর জেলার শার্শা থানাধীন ফরেস্ট পাড়াস্থ রিপন মটরস এর সামনে হতে মোঃ হাবিবুর রহমান (৫৫) এর ডান হাতে থাকা বস্তার মধ্যে হতে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স(WIN COREX) সহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে ইং- ০১/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আসামির নাম ও ঠিকানাঃ

১। নামঃ- মোঃ হাবিবুর রহমান (৫৫)
পিতাঃ- মৃত শামসুর রহমান
সাংঃ- উত্তর বুরুজ বাগান
থানাঃ- শার্শা
জেলাঃ- যশোর।

উদ্ধারঃ
১। ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স(WIN COREX), যার অবৈধ বাজারমূল্য অনুমান ২,৬২,৫০০ টাকা।