বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

জয়পুরহাটে কিশোর হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৪, ৯:২০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জয়পুরহাটে কিশোর হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন।

সুকমল চন্দ্র বর্মন (পিমল) জয়পুরহাট ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় এক যুগ আগে কিশোর হাসান হ*ত্যা মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেকের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এই টাকা অনাদায়ে আরও ২ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলী (এপিপি) শামীমুল ইসলাম শামীম।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন-জেলার পাঁচবিবি উপজেলার রশিদপুর আখিয়াপুকুর গ্রামের ওয়াজেদ আলী আকন্দের ছেলে শামীম, একই গ্রামের আ. খালেকের ছেলে একরামুল হক মন্ডল ও বিনধারা গ্রামের ফারুক চৌধুরীর ছেলে মাখন চৌধুরী ওরফে আজমির চৌধুরী। রায় প্রদানের সময় সকলেই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ২০১১ সালের ৯ নভেম্বর সকাল ১০টায় পাঁচবিবির রশিদপুর গ্রামে আসামিরা কিশোর হাসানকে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে রক্ষা পান হাসান। এরপর ওই দিন বিকাল ৪টার দিকে আসামিরা পুনরায় হ*ত্যা চেষ্টা করলে হাসান দৌড়ে ধানক্ষেতে গিয়ে লুকিয়ে পড়েন। সেখান থেকে হাসানকে খুঁজে বের করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে নিহতের বোন মুনিরা বেগম বাদী হয়ে ২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি জয়পুরহাট আদালতে অভিযোগ করেন। আদালত বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা গ্রহনের নির্দেশ দেন।

এ মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচবিবি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আউয়াল ২০১৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আফজাল হোসেন বলেন, এই মামলার স্বাক্ষী সেভাবে ছিলো না। কয়েকবার রায়ের তারিখ দেওয়ার পর আজ বিচারক রায় দিয়েছেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে অবশ্যই উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

1

বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:৫৪ এম
বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন   উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জামালপুরে চালু হতে যাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচির আওতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের  টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা  গ্রামে ১ হাজার ২৯৫ টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

আগামি ১৬ মে শনিবার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা নাসির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

তিনি জানান, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য সরকার কার্যক্রম শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড , বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও খাল পুন:খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বকশীগঞ্জ উপজেলাতেও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোছা. কনিকা খাতুন জানান, বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা গ্রামে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।শনিবার উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হবে ফ্যামিলি কার্ড।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে আরো উপস্থিত থাকবেন জামালপুর জেলার আরো ৫ জন সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দরা ।

প্রেস ব্রিফিংকালে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

1

নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে উপজেলার রাথুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাথুরা এলাকার বিশু মার্কেট সংলগ্ন সালামের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে মোট ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আরশেদ আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম রাজিব (২৬) ও মৃত শ্যামল কৃষ্ণ সাহার ছেলে রবিন্দ্র সাহা (৪০)। এর মধ্যে রাজিবের কাছ থেকে ৯ পিস এবং রবিন্দ্র সাহার কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন নাগরপুর থানার এসআই (নিঃ) রাকিব কায়নার শুভ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন এএসআই আবু তাহের, এএসআই আতিকুর রহমান এবং কনস্টেবল রিয়াজ উদ্দীন। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে রাথুরাসহ আশপাশের এলাকায় মাদকসেবীদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল। নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মুরাদ হোসেন মুঠোফোনে বলেন,“মাদকের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানা পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজুর মানবিক উদ্যোগে এতিমখানায় তিনটি ফ্যান প্রদান করেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১০:২৭ এম
বকশীগঞ্জে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজুর মানবিক উদ্যোগে এতিমখানায় তিনটি ফ্যান প্রদান করেন

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোর বীরগাঁও মাদ্রাসা বাড়ির সোবহানিয়া হাফিজিয়া এতিমখানার কোমলমতি এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সাউথ আফ্রিকা ও মরিশাস প্রবাসী সাজু। সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রচণ্ড গরমে এতিমখানার শিক্ষার্থীরা কষ্ট করে পড়াশোনা করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে এতিমখানার পক্ষ থেকে তিনটি ফ্যানের আবেদন করা হয়। সাংবাদিক আলীমজনু বাবুর মাধ্যমে বিষয়টি প্রবাসী সাজু  কাছে পৌঁছালে তিনি তাৎক্ষণিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং খুব দ্রুত তিনটি ফ্যানের ব্যবস্থা করে দেন।
পরবর্তীতে বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোতালেব সরকার, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খোকন মন্ডল, ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম  এতিমখানার হুজুরের হাতে ফ্যানগুলো তুলে দেন।
ফ্যান পেয়ে এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, গরমের কষ্ট কমে যাওয়ায় এখন শিশুরা আরও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে পারবে।
এসময় এতিমখানার পক্ষ থেকে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজু প্রতি – ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়, তিনি যেন সবসময় এভাবেই মানবিক ও কল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকতে পারেন।