শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাঠ্যপুস্তক থেকে আদিবাসী শব্দ প্রত্যাহার সহ বেশ কিছু দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:১৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পাঠ্যপুস্তক থেকে আদিবাসী শব্দ প্রত্যাহার সহ বেশ কিছু দাবি

গোলাম আলী নাইম ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

প্রাণপ্রিয় রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং ইসলামের দুশমনদের ফাঁসি এবং সাধারণ মুসলমানদের সাথে প্রতারণা, জুলুম নির্যাতন বন্ধের দাবীতে সমাবেশ ।প্রাণপ্রিয় নবীজীর অবমামননাকারীদের ফাঁসি; শরীযতসম্মত পাঠ্যসূচী ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন; সন্ত্রাসী ইসকন নেতা এবং তাদের সহযোগীদের ‘ফাঁসি’; নেপালে সরকারীভাবে বৌদ্ধ মঠ নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিল; আমদানী শুল্ক বৃদ্ধি ও ভ্যাট হ্রাসকরণ; দ্রব্যমূল্য-চিকিৎসামূল্য হ্রাসকরণ এবং শিল্প কারখানায় গ্যাসের দাম দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত বাতিল; পাঠ্যপুস্তক থেকে আদিবাসী শব্দ প্রত্যাহার এবং পার্বত্য অঞ্চলকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক চক্রান্ত প্রতিহতকরণ এবং রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের দাবীতে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা আজ ১০ই রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন; ১৩ ছামিন, ১৩৯২ শামসী সন; ১১ জানুয়ারী, ২০২৫ খ্রি: ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) বা’দ আছর রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে এক প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন। উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে ইনছাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আহবায়ক আরিফ আল খবীর বলেন, “খালিক্ক মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যমে সৃষ্টি জগতের কল্যাণে সম্মানিত পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে হাদিয়া করেছেন। কিন্তু শয়তানের অনুসারী ইসলামের চিরশত্রু ইহুদি-মুশরিক, কাফির, মুশরিক, মুনাফিকেরা নিজেদের অন্তরের হিংসাবশত সবসময় মুসলমানদের ঈমান, আমল, জান-মাল ক্ষতির অপচেষ্টায় লিপ্ত। তাদের খুদকুড়াভোগী কিছু মুসলমান পরিচয়ে লুকিয়ে থাকা মুনাফিকেরা ইসলামের বিরুদ্ধে এবং দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্তে লিপ্ত। তারা কখনও বক্তা, কখনও সংস্কৃতিবাদী ইত্যাদি বিভিন্ন সুরতে আমাদের প্রাণপ্রিয় রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানী করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। আমাদের প্রথম দাবী হচ্ছে-
“নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে অবমাননাকারীদের অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই ফাঁসি দিতে হবে।” নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঈমানের মূল। উনাকে জীবনের থেকে বেশি মুহব্বত করা এবং বেশি তাযীম-তাকরীম করাই হচ্ছে ঈমান। তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন এছাড়া সমস্ত মর্যাদা মরতবা মুবারক উনার তিনিই মালিক। তিনি কুল মাখলুকাতের জন্য উসওয়াতুন হাসানাহ, সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে আয়াতে আয়াতে, হরফে হরফে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা ছিফত মুবারক, প্রশংসা মুবারক করেছেন। যে বা যারা উনার শান মুবারকের খিলাফ বলবে মহান আল্লাহ পাক তাদেরকে সর্বনিকৃষ্ট লানতগ্রস্থ বলে ঘোষণা করেছেন এবং মহান আল্লাহ পাক নিজেই তাদের জন্য ‘ক্বতল’ বা ‘মৃত্যুদণ্ড’ ঘোষণা করেছেন। , “নবীজীর দুশমন, কাট্টা কাফির, কুলাঙ্গার বক্তা মিজান আযহারী তার বক্তব্যে প্রিয় নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে “কাউবয়’, ‘টেলেন্ট হান্টার’ এবং অনুরুপ অনেক মানহানীমূলক শব্দ বলে সম্বোধন করে চরম কুফরী করেছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!আমরা নবীজীর দুশমন কুলাঙ্গার বক্তা মিজান আযহারীকে নিকৃষ্ট মুরতাদ, কাট্টা কাফের বলে ঘোষণা করছি এবং তার ও তার সমগোত্রীয় যারা প্রাণপ্রিয় নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানী করে এবং নবীজী উনার শানে কটুক্তি বা ব্যঙ্গ করে তাদের সকলের অবশ্যই ‘ফাঁসী’ দাবী করছি। ইনছাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার বক্তাগণ বলেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক শানে কোন কুলাঙ্গার মানহানী করলে অবশ্যই তার শরঈ শাস্তি ‘ফাঁসি’ বাস্তবায়ন করতেই হবে। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে কেউ উনার পাঠ্যপুস্তক থেকে আদিবাসী শব্দ প্রত্যাহার শরয়ী শাস্তি ‘ফাঁসি’ দিতেই হবে33 ব্যাকরণ ও নির্র্মিতি পুস্তকে শেষ প্রচ্ছদে পবিত্র দ্বীন
শিক্ষার জন্য দ্বীনী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। সহশিক্ষা, বেপর্দা, অবাধ মেলামেশা, ট্রান্সজেন্ডার, এলজিবিটিকিউ সংস্কৃতি পরিহার করতেই হবে। ছেলেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে সমূহে অবশ্যই মুসলমান পুরুষ শিক্ষক দিয়েই শিক্ষা দিতে হবে এবং মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ অবশ্যই মুসলমান দ্বীনদার মহিলাদের দ্বারাই পরিচালিত করতে হবে। পাঠ্যপুস্তক, শিক্ষানীতীতে যারা দেশবিরোধী এবং পবিত্র দ্বীন বিরোধী বিষয় প্রবেশ করিয়েছে তাদের সবাইকে গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। দ্বীনদারীর শিক্ষা ছাড়া কখনও সুনাগরিক তৈরী সম্ভব নয়।
ইনছাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আহবায়ক আরিফ আল খবীর আরো বলেন, “আমাদের তৃতীয় দাবি- ইসকন, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বিদ্যানন্দ সহ হিন্দুত্ববাদী সকল সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে। রাষ্ট্রদ্রোহী অখণ্ড ভারতের প্রচারকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। ইসকন নেতা সন্ত্রসী চিন্ময় এবং তার সহযোগীসহ সকল উগ্রসন্ত্রসী হিন্দু নেতাদের ফাঁসি দিতে হবে। ‘বিদ্যানন্দ’কে কোনো প্রকার সাহায্য বা সহযোগীতা করা যাবেনা। দেশের এবং ইসলামের সন্মানার্থে সরকারী-বেসরকারী চাকুরী থেকে, নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খরলাবাহিনী, প্রশাসন এবং দেশের নীতি নির্ধারক পদ থেকে হিন্দু, বৌদ্ধ, উপজাতিসহ সমস্ত বিধর্মীদের বহিষ্কার করতে হবে এবং নতুন করে কোনো বিধর্মীদের নিয়োগ দেয়া যাবেনা। অর্পিত সম্পত্তির কালো আইন এবং দেবোত্তর সম্পত্তির কালো আইন বাতিল করতে হবে। বিধর্মীদের কোনো ধর্মীয় দিবসের ছুটিকে বাধ্যতামূলক করা যাবেনা, ঐচ্ছিক করতে হবে। এর বিপরীতে অবশ্যই পবিত্র শবে মেরাজের ছুটিকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।
দেশের মুসলমানদেরকে ধোকা দিয়ে ৬৮ কোটি টাকা ব্যায় করে নেপালের লুম্বিনীতে বৌদ্ধ মঠ কমপ্লেক্স বানানোর সরকারী পরিকল্পনা অবশ্যই বাদ দিতে হবে। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের এই বাংলাদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ, বহুসংস্কৃতির দেশ হিসাবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করার কুউদ্দেশ্য বাদ দিতে হবে। ভারতীয় এবং বিদেশী সব ধরণের আগ্রাসন প্রতিহত করতে হবে। ভারতীয় পণ্য এবং ভারতের ও বিদেশীদের থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করা বর্জন করতে হবে। ভারতের, আমেরিকার বা ভিন দেশের গোলামী আর তোষামোদী বাদ দিতে হবে। সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার জন্য ভারতের কাছে জবাব চাইতে হবে, ধিক্কার জানাতে হবে এবং এর বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ভারতকে এর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে নতুবা বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ উল্টো ভারত দখল করে ফেলবে।
ইনছাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আহবায়ক আরিফ আল খবীর আরো বলেন, “আমাদের চতুর্থ দাবি- হক্কুল ইবাদ রক্ষার্থে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য এবং চিকিৎসা সেবার মূল্য কমিয়ে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে। *দেশের অর্থনীতি আমদানি নির্ভর না করে উৎপাদনমুখী করতে হবে। শুল্ক, কর, ভ্যাট ইত্যাদি কমিয়ে দিয়ে; রাষ্ট্রের তরফ থেকে বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে দেশীয় শিল্পকে উৎপাদনে উৎসাহিত করতে হবে। * ইহুদিবাদী আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চাপে ৬৫ পণ্য ও সেবার ভ্যাট-সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। দেশের স্বার্থে আমদানী পণ্যের উপরে শুল্ক বৃদ্ধি করে দেশীয় উৎপাদিত পণ্যের উপর ভ্যাট কমাতে হবে। জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, এলপি গ্যাস, খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উপর ভ্যাট হার বৃদ্ধি দ্রব্যমূল্য বাড়াবে। তাই দেশীয় উৎপাদিত পণ্যের উপর ভ্যাট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেশকে অর্থীনতিকভাবে পঙ্গু করার একটি বড় ষড়যন্ত্র।
ইনছাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আহবায়ক আরিফ আল খবীর আরো বলেন, “আমাদের ৫ম দাবি- শিল্প ও ক্যাপটিভে গ্যাসের দাম দ্বিগুণ করার মহাজুলুমবাজী সিদ্ধান্ত আজই প্রত্যাহার করতে হবে। শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণিতে নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের গ্যাসের দাম হবে এলএনজির আমদানি ব্যয়ের সমান-এহেন সিদ্ধান্ত দেশের শিল্পকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত, ঝুলুমের সিদ্ধান্ত, চুরির সিদ্ধান্ত। এই দেশের খনিতে উৎপাদিত গ্যাস এলএনজির দামে কিনতে হবে কেনো?!
ষড়যন্ত্রমূলক আত্মঘাতী এই সব সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে এবং অর্থ উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ইনছাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আহবায়ক আরিফ আল খবীর আরো বলেন, “আমাদের ৬ষ্ঠ দাবি- উপজাতিদেরকে আদিবাসী না বলার বিষয়ে। এই বছরের দাখিল নবম-দশম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদে উপজাতিদের ‘আদিবাসি’ বলে

উল্লেখ করা হয়
েছে। এটা একটা চক্রান্ত। তাদেরকে আদিবাসি বললে তারা তাদের জন্য স্বায়ত্তশাসন চাইতে পারবে, দেশের মধ্যে পৃথক ভূখন্ড দাবী করতে পারবে, আলাদা জাতীয়তার দাবী করতে পারবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং উপজাতিদের নিয়ে বিদেশী সকল চক্রান্ত প্রতিহত করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজা প্রথা বাতিল করে সারা দেশের মতই একই আইন চলতে হবে। উপজাতিদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বলতে হবে, আদিবাসি বলা যাবেনা। যারা উপজাতিদের আদিবাসী বলে প্রচার করে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
ইনছাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আহবায়ক আরিফ আল খবীর আরো বলেন, “আমাদের ৭ম দাবি- মানুষের কল্যাণে এবং জননিরাপত্তার প্রয়োজনে জন্য অবিলম্বে রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করতে হবে। পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভাকে এই কাজে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি কুকুর পূজারীদেরকে গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

1

বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:৫৪ এম
বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন   উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জামালপুরে চালু হতে যাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচির আওতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের  টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা  গ্রামে ১ হাজার ২৯৫ টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

আগামি ১৬ মে শনিবার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা নাসির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

তিনি জানান, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য সরকার কার্যক্রম শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড , বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও খাল পুন:খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বকশীগঞ্জ উপজেলাতেও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোছা. কনিকা খাতুন জানান, বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা গ্রামে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।শনিবার উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হবে ফ্যামিলি কার্ড।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে আরো উপস্থিত থাকবেন জামালপুর জেলার আরো ৫ জন সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দরা ।

প্রেস ব্রিফিংকালে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

1

নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে উপজেলার রাথুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাথুরা এলাকার বিশু মার্কেট সংলগ্ন সালামের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে মোট ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আরশেদ আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম রাজিব (২৬) ও মৃত শ্যামল কৃষ্ণ সাহার ছেলে রবিন্দ্র সাহা (৪০)। এর মধ্যে রাজিবের কাছ থেকে ৯ পিস এবং রবিন্দ্র সাহার কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন নাগরপুর থানার এসআই (নিঃ) রাকিব কায়নার শুভ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন এএসআই আবু তাহের, এএসআই আতিকুর রহমান এবং কনস্টেবল রিয়াজ উদ্দীন। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে রাথুরাসহ আশপাশের এলাকায় মাদকসেবীদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল। নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মুরাদ হোসেন মুঠোফোনে বলেন,“মাদকের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানা পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজুর মানবিক উদ্যোগে এতিমখানায় তিনটি ফ্যান প্রদান করেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১০:২৭ এম
বকশীগঞ্জে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজুর মানবিক উদ্যোগে এতিমখানায় তিনটি ফ্যান প্রদান করেন

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোর বীরগাঁও মাদ্রাসা বাড়ির সোবহানিয়া হাফিজিয়া এতিমখানার কোমলমতি এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সাউথ আফ্রিকা ও মরিশাস প্রবাসী সাজু। সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রচণ্ড গরমে এতিমখানার শিক্ষার্থীরা কষ্ট করে পড়াশোনা করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে এতিমখানার পক্ষ থেকে তিনটি ফ্যানের আবেদন করা হয়। সাংবাদিক আলীমজনু বাবুর মাধ্যমে বিষয়টি প্রবাসী সাজু  কাছে পৌঁছালে তিনি তাৎক্ষণিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং খুব দ্রুত তিনটি ফ্যানের ব্যবস্থা করে দেন।
পরবর্তীতে বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোতালেব সরকার, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খোকন মন্ডল, ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম  এতিমখানার হুজুরের হাতে ফ্যানগুলো তুলে দেন।
ফ্যান পেয়ে এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, গরমের কষ্ট কমে যাওয়ায় এখন শিশুরা আরও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে পারবে।
এসময় এতিমখানার পক্ষ থেকে সাউথ আফ্রিকা-মরিশাস প্রবাসী সাজু প্রতি – ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়, তিনি যেন সবসময় এভাবেই মানবিক ও কল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকতে পারেন।