সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক সভায় যুদ্ধবিরতি অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:২৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক সভায় যুদ্ধবিরতি অনুমোদন

অনলাইন ডেস্কঃ

ফিলিস্তিনের গাজায় দীর্ঘ ১৫ মাস রক্তক্ষয়ের পর অবশেষে কার্যকর হতে যাচ্ছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি। শুক্রবার ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা এই চুক্তি অনুমোদন করেছে। রোববার থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।তবে যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে রাজি হওয়ার পরও গাজায় হামলা অব্যাহত রাখে ইসরাইলি বাহিনী। গাজার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত অন্তত ১০১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ২৬৪ জন।এরই মধ্যে বিরতি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গাজাবাসীর মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরজগ। গতকালই পূর্ণ মন্ত্রিসভার এতে অনুমোদন দেওয়ার কথা ছিল। সে ক্ষেত্রে রোববার থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন তিনি। তবে চুক্তিটি ইসরাইলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।যুদ্ধবিরতির এই চুক্তি যদি শেষ পর্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়ন শুরু হয়, তাহলে তা চরম বিভীষিকার মধ্যে থাকা গাজাবাসীর জন্য স্বস্তি নিয়ে আসবে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিতিশীলতাও কমে আসতে পারে। গাজা যুদ্ধ ঘিরেই লেবানন, ইয়েমেন ও ইরাকে হিজবুল্লাহ ও হুতির মতো ইরানপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে ইসরাইল।গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরাইল ও হামাসের ঐকমত্যের বিষয়টি গত বুধবার সামনে আনে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার। এরপর শুক্রবার নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলের মন্ত্রিসভা ও সরকারের অনুমোদনের পর চুক্তি বাস্তবায়ন ও জিম্মিদের মুক্তির বিষয়টি পরিকল্পিত কাঠামো অনুযায়ী এগোবে। রোববার থেকে জিম্মি মুক্তি শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গাজায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলা সহিংসতার শুরুর দিকে একবার মাত্র অল্প সময়ের জন্য যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। এরপর যুদ্ধবিরতির জন্য দফায় দফায় আলোচনা হয়। তবে আশার আলো দেখা যায়নি। সম্প্রতি চুক্তির জন্য জোর তৎপরতার মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হন হামাস ও ইসরাইলের প্রতিনিধিরা। তবে এ নিয়ে দ্বিমত প্রকাশ করেন ইসরাইল সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকে।মূল সমস্যাটা ইসরাইল সরকারের কট্টর ডানপন্থিদের। যেমন মন্ত্রিসভায় ভোটাভুটির মধ্য দিয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন পেলে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দেন জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন–গভির। একই ধরনের হুমকি দেন অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মরিচও। তবে     কট্টরপন্থিদের বিরোধিতার পরও সরকারের মন্ত্রীদের বেশিরভাগই চুক্তির পক্ষে রয়েছেন বলেই নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে দেখা গেছে।চুক্তি নিয়ে ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার ভোট বৃহস্পতিবার হওয়ার কথা ছিল। তবে হামাস চুক্তির কয়েকটি শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে তা এক দিন পেছানো হয়।

তিন ধাপে বিরতি কার্যকর : ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ওই হামলায় ১ হাজার ২০০ জনের বেশি নিহত হন। জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয় আড়াইশর বেশি মানুষকে। তাদের মধ্যে অনেককে মুক্তি দিয়েছে হামাস। ইসরাইলের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী গাজায় হামাসের কাছে এখনও ৯৮ জন জিম্মি জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় রয়েছেন।হামাসের ওই হামলার দিন থেকেই গাজায় নির্বিচারে আকাশ, স্থল ও জলপথে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। গাজা কর্তৃপক্ষের হিসাবে এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি মানুষ। হামলা থেকে প্রাণ বাঁচাতে একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন গাজার ২৩ লাখ মানুষ।গাজায় যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে, তা তিন ধাপে কার্যকর করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপ হবে ছয় সপ্তাহের। এসময় ৩৩ জন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। এর বিনিময়ে ইসরাইলি কারাগারে বন্দি থাকা ১৯ বছরের কম বয়সি নারী ও শিশুদের মুক্তি দেওয়া হবে। এসময় গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনীর একটি অংশকে সরিয়ে নেওয়া হবে।এরপর দ্বিতীয় ধাপে ইসরাইলের বাকি জীবিত জিম্মিদের মুক্তি দেবে হামাস। এর বিপরীতে আরও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে এবং গাজা থেকে ইসরাইলি সেনাদের পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়া হবে। আর তৃতীয় ধাপে ইসরাইলের কাছে মৃত জিম্মিদের মরদেহ ফেরত দেওয়া হবে এবং গাজা পুনর্গঠন শুরু হবে।

1

বকশীগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:৩৩ পিএম
বকশীগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে

Oplus_131072

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)” প্রকল্পের আওতায়‘পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা সরকারি গণগন্থাগার  হল রুমে এই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  জামালপুর জেলার খামার বাড়ীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলম শরিফ খান ।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি জামালপুরের  প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা পিনক কুমার সাহা ,  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রমুখ।

দিনব্যাপী এই কংগ্রেসে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় পর্যায়ের কৃষি উদ্যোক্তা, সফল চাষী এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

1

জামালপুরে ভারতীয় মদসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭:৫২ পিএম
জামালপুরে ভারতীয় মদসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি= মোঃ ইমরান আকন্দঃ

জামালপুরে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৯০ বোতল ভারতীয় মদ সহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া গ্রামের সোবহান তালুকদারের ছেলে তাবিবুর রহমান তালুকদার (২৬) ও পলাশতলা গ্রামের মোখলেস তালুকদারের ছেলে রিদুয়ান বারী তালুকদার (৩০)।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

জানা গেছে, জামালপুর জেলা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ডিবি-১ এর সদস্যরা শনিবার (২০ জুন) বিকালে জামালপুর- বকশীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বকশীগঞ্জ পাখিমারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানে বিদেশী মদ বহনের সময় ওই দুই ব্যক্তিকে ৯০ বোতল মদ সহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন সময়ে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক এনে বিভিন্ন জেলায় পাচার করতো বলে জানায় ডিবি-১।

এঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রুজু হয়েছে। দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এবিষয়ে জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, মাদকমুক্ত জামালপুর গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে যারা অবৈধভাবে মাদক ও নিষিদ্ধ পণ্য দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ সর্বদা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং এ বিষয়ে জনগণের সহযোগিতা কামনা করছি।

1

বকশীগঞ্জে আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:৩২ পিএম
বকশীগঞ্জে আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

oplus_0

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

 

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন )  সকাল ১১ টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় এসময় বক্তব্য রাখেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আসমা- উল – হুসনা

বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন ,উপজেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন, উপজেলা কৃষি অফিসার আমিনুল ইসলাম হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর, সাধারন সম্পাদক জাহিদুর ইসলাম প্রিন্স , বিজিবির কম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেন,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক  বীরমুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলী, মেরুচর ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মন্জু, বগারচর ইউনিয়র পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত)  চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, বাট্টাজোড় ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান লিটন আকন্দ, বকশীগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের উপজেলা প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন ও  উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউর হাফিজ বাবুসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

সভায়, সীমান্তে পুশইন নিয়ে উত্তেজনা, পৌর শহরে ফুটপাত দখলমুক্ত করা, যানজট নিরসনে উদ্যোগ গ্রহণ করা, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা , হাসপাতালে দালাল নির্মূল করা, মাদকের  বিরুদ্ধে  অভিযান পরিচালনা করা, চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।