বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন আজ — আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক এক নেত্রীর জীবনের নতুন অধ্যায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫, ৪:০০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন আজ — আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক এক নেত্রীর জীবনের নতুন অধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আজ ১৫ আগস্ট, দেশের ইতিহাসে এক আপসহীন সংগ্রামী নেত্রীর জন্মদিন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, “গণতন্ত্রের মা” খ্যাত বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে আসছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জন্মদিন উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে দোয়া মাহফিল, মিলাদ, অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এবং রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন শুধু একজন নেত্রীর ব্যক্তিগত দিন নয়, বরং এটি গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামের এক প্রতীকী দিন।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জন্ম নেওয়া বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে ২০ মার্চ দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আবারও জনগণের রায়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। কিন্তু বিগত একযুগ এর ও বেশি সময় ধরে তিনি শৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ষড়যন্ত্র এবং অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকাকালীন মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার, ২০১৮ সালে কারাবন্দি অবস্থা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল ও পরবর্তীতে গৃহবন্দি জীবন— সবকিছুই ছিল রাজনৈতিকভাবে তাকে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশার অংশ।

মহামারি করোনার সময়ও তাকে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়। দীর্ঘদিন বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছিলো । যা বিএনপির মতে সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে বলেছিলেন,

“আওয়ামী লীগ সরকার জানে, বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে দেশে একদিন গণতন্ত্র ফিরবেই। তাই তাকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার জন্য মিথ্যা মামলা, কারাবাস ও চিকিৎসা বঞ্চনার মাধ্যমে এক ভয়ঙ্কর নির্যাতন চালানো হয়েছে।  তবুও খালেদা জিয়া ভেঙে পড়েননি, বরং আরও দৃঢ়ভাবে জনগণের অধিকার আদায়ের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।”

আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়ে নেতাকর্মীরা পোস্ট, ভিডিও ও ছবির মাধ্যমে জানাচ্ছেন ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ।

1

বকশীগঞ্জে আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:৩২ পিএম
বকশীগঞ্জে আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

oplus_0

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

 

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় আইন – শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন )  সকাল ১১ টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় এসময় বক্তব্য রাখেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আসমা- উল – হুসনা

বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন ,উপজেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন, উপজেলা কৃষি অফিসার আমিনুল ইসলাম হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর, সাধারন সম্পাদক জাহিদুর ইসলাম প্রিন্স , বিজিবির কম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেন,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক  বীরমুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলী, মেরুচর ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মন্জু, বগারচর ইউনিয়র পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত)  চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, বাট্টাজোড় ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান লিটন আকন্দ, বকশীগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের উপজেলা প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন ও  উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউর হাফিজ বাবুসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

সভায়, সীমান্তে পুশইন নিয়ে উত্তেজনা, পৌর শহরে ফুটপাত দখলমুক্ত করা, যানজট নিরসনে উদ্যোগ গ্রহণ করা, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা , হাসপাতালে দালাল নির্মূল করা, মাদকের  বিরুদ্ধে  অভিযান পরিচালনা করা, চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

1

বকশীগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:২৬ পিএম
বকশীগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে।

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের বকশীগঞ্জে দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফল মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ ফল মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আসমা উল হুসনা, প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া আফরিন,  কৃষি অফিসার আমিনুল ইসলাম , উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্সসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় ও মৌসুমি ফলের মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী করা হয়। দর্শনার্থীরা ফলের বিভিন্ন জাত, পুষ্টিগুণ ও চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন। এ সময় বক্তারা দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ফল চাষে কৃষকদের আরও উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

1

পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে নিয়ম মেনে পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিলে ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। তবে দালল ধরে ফরম জমা দিলে সেটি সহজেই জমা দেওয়া যাচ্ছে। এর জন্য দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসকে দিতে হচ্ছে ঘুষ। অনিয়ম-দুর্নীতি যেন এখানে নিয়ম ও নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
হাসমত আলীর বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে। নিজের পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস। তাঁর কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, আবেদনপত্রের একটি বিশেষ পাতা। ওই পাতায় লেখা একটি বিশেষ ‘সংকেত’। সেই সংকেতটি ইংরেজিতে লেখা দুইটি বর্ণ। বর্ণের পাশে হাইফেন দিয়ে লেখা দুইটি ইংরেজি সংখ্যা। এ কোড দেখে পাসপোর্ট অফিসের ফরম জমা নেওয়া কর্মচারী কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই আবেদনটি জমা নিয়ে নিলেন। গত ১০ জুন বেলা পৌনে বারোটার দিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে এমন ঘটনা ঘটে।
এর কিছুক্ষণ আগে আবেদন জমা দিতে না পেরে হতাশ হয়ে বের হন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আজমতপুর এলাকার তরুণ রাব্বি আহমেদ। তাঁর আবেদনটি ‘ত্রুটি’ থাকায় জমা নেওয়া হয়নি। এরপর রাব্বি আহমেদ তাঁর দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে অফিসের বাইরে একটি দোকানে যান দালাল ধরতে। রাব্বি আহমেদ বলেন, ‘আমার সব কাগজ ঠিকই ছিল। তবে জমা না নিয়ে পরের দিন যেতে বলল।’
এক শ্রেনীর দালাল চ্যানেল ফাইল করে দেয় বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫ শত টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসকে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে।
সরেজমিনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সামনে দেখা যায়, সকাল থেকেই সেখানে অনেক দালাল ঘুরতে থাকে। পাসপের্ট আবেদন করার জন্য লোক আসামাত্রই দালালরা সেবা গ্রহীতাদের ইশারায় এবং কখনো সরাসরি তাদের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে বলে। দালালদের মাধ্যমে জমা দেওয়া পাসপোর্টের আবেদন ফরমকে বলা হয় ‘চ্যানেল ফাইল’। চ্যানেল ফাইলের বিষয়ে কথা হয় তিনজন দালালের সঙ্গে। শুরুতে তাঁরা এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানান, পাসপোর্ট অফিসের এ ধরনের দালালির বিষয়টি মোটামুটি ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রতিটি দোকান থেকে চ্যানেল ফাইল করে দেওয়া হয়। বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে। এভাবে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে।
চ্যানেল ফাইলটি করা হয় অত্যন্ত কৌশলে। আবেদপত্রটি জমা দেওয়ার সময় যেকোন একটি কাগজের দুটি কপি করা হয়। অতিরিক্ত ওই কপিতে লেখা হয় গোপন সংকেতটি। পরে অফিসে জমার নেওয়ার পর সংকেত লেখা অতিরিক্ত কাগজটি খুলে ফেলা হয়। খুলে ফেলা কাগজটি গোপনে সংরক্ষণ করেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মী। পরে গোপনে জমা রাখা ওইসব কাগজ দেখে হিসাব করে দালালদের কাছে থেকে সপ্তাহের প্রতি বুধবার ‘পাওয়া’ টাকা আদায় করে পাসপোর্ট অফিস। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে ঘুষ বাণিজ্য।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকে আশিষ কুমার দাসের                                                                                                                                                                                                                                                                                                  মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, আমি নতুন এসেছি এই বিষয়ে আমার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে, লিখিত ভাবে আমার কাছে দেন, আমি দেখবো। আমার জানামতে এখানে কোন ঘুষ বানজ্য হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘুষে আদায়কৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পান সহকারী-পরিচালক আশিষ কুমার দাস  ও উপ-সহকারী পরিচালক । বাকি টাকা দারোয়ান থেকে শুরু করে অফিস স্টাফদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয়। এছাড়া ঘুষের ভাগ পান কতিপয় রাজনৈতিক দলের নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অসাধু সদস্য এবং অখ্যাত পত্রিকার নামধারী সাংবাদিক। তবে এসব বিষয়ে সরাসরি কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
দুদক অফিস পাশে, তবুও নীরবতা!
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় এই পাসপোর্ট অফিসের পাশের ভবনেই অবস্থিত। ৫ আগস্টের পর দুদক ময়মনসিংহের বিভিন্ন সরকারি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করলেও পাসপোর্ট অফিসে কখনো কোন অভিযান পরিচালনা করেনি। এ বিষয়ে দুদকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মককার মুঠোফোনে বলেন, আমি তিন মাস আগে ময়মনসিংহের দায়িত্ব পেয়েছি এরমধ্যে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা হয়নি। আমার জানামতে ৫ আগস্টের পর কোন অভিযান পরিচালিত হয়নি।