শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

“কৃষকের ঘাম, শ্রমিকের মজুরি ও তরুণের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে বিএনপি”— এস. এ. জিন্নাহ কবির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:৩৮ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
“কৃষকের ঘাম, শ্রমিকের মজুরি ও তরুণের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে বিএনপি”— এস. এ. জিন্নাহ কবির

সোলায়মানঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রণীত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন কর্মসূচি প্রচারের অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার উলাইল ইউনিয়নে এক প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৭ নভেম্বর ২০২৫ ইং, শুক্রবার বিকেলে উলাইল ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস. এ. জিন্নাহ কবির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস. এ. জিন্নাহ কবির বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রণীত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা শুধু একটি রাজনৈতিক ঘোষণা নয়— এটি জাতির মুক্তির রূপরেখা। দেশের কৃষক, মজুর, শ্রমিক ও তরুণ প্রজন্ম আজ যে অবহেলা ও অবিচারের শিকার, এই ৩১ দফাই তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার।”

তিনি আরও বলেন, “স্বৈরাচার  সরকারের ভুল নীতি ও দুর্নীতির কারণে কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না, শ্রমিকরা বঞ্চিত হচ্ছে মজুরির ন্যায্য হিস্যা থেকে, আর যুবসমাজ বেকারত্বের দুঃস্বপ্নে দিন কাটাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকের ঘামে উৎপাদিত ফসলের সঠিক দাম, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি এবং প্রতিটি তরুণের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে।”

এ সময় তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আহ্বান জানান, “৩১ দফা বাস্তবায়নের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকুন। এই সংগ্রাম কোনো একক দলের নয়— এটি বাংলাদেশের জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম।”

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহবায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু,
মানিকগঞ্জ জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ- সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক লোকমান হোসেন, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ফেরদৌস রহমান,ঘিওর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর মাণিকুজ্জামান মানিক, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সভাপতি রহমত আলী বেপারী শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটন, বাংলাদেশ ওলামা দলের সদস্য হাবিবুল্লাহ নোমানী, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দিন, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ ইকবাল রনি, মানিকগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মৃধা মাসুদ রানা, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক আব্দুল মোমেন,শিবালয় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হোসেন আলী, স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম, সদস্য সচিব সাইদুর রহমান, শিবালয় উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায় জুয়েল রানা, হিমালয় উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ফরিদুজ্জামান ফরিদ শিবালয় উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শফিক,দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুস সালাম,দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক সাইফুল মিয়া, ঘিওর উপজেলা যুবদললের সদস্য সচিব সাইফ সানোয়ার, ঘিওর উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক মো: মোশাররফ হোসেন, ঘিওর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মীর ফারুক,ঘিওর উপজেলা যুবদলের সদস্য মো:ছালেম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: আল-আমিন, ঘিওর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সবুজ বেপারী, মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজা মিয়া, মাহিদ মিয়া, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা আমির হামজা পিন্টু, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জিহাদ, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব খান অয়ন,মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের নেতা অনিক হোসেন,মানিকগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসা ছাত্রদলের সভাপতি সিনবাদ হোসেন, শিবালয় উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হাকিম,শিবালয় উপজেলা ছাত্রদল নেতা জুয়েল রানা, উলাইল ইউনিয়ন ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সহ জেলা ও উপজেলা,ইউনিয়নের অঙ্গ সংগঠনের পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে প্রধান অতিথি এস. এ. জিন্নাহ কবির সকল নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং আগামীর আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।