শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শাহাদাতের আলোকশিখা : শহীদ সাইয়েদ কুতুব রহ.

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ২:১২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শাহাদাতের আলোকশিখা : শহীদ সাইয়েদ কুতুব রহ.

 

✍️ জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান

❝এক কালেমায় রুজিরোজগার,
এক কালেমায় ফাঁসি।❞

ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের জীবন কেবল জন্ম-মৃত্যুর সীমায় আবদ্ধ নয়। তাঁরা রক্ত দিয়ে লিখে যান অমর পঙ্‌ক্তি, তাঁদের মৃত্যু হয়ে ওঠে আগামী প্রজন্মের বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা। শহীদ সাইয়েদ কুতুব রহ. ছিলেন সেই বিরল মানুষদের একজন। মিশরের এক গ্রামীণ প্রান্তে জন্ম নেওয়া এক সাধারণ শিশু, যিনি তাঁর কলমের জাদু দিয়ে সাহিত্যাঙ্গন জয় করেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত রক্ত দিয়ে প্রমাণ করলেন এক কালেমার মর্যাদা। তাঁর ঠোঁট থেকে উচ্চারিত সেই অমর বাণী আজও সময়ের বুক কাঁপিয়ে তোলে—
“আমরা লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহ কালেমার বিজয়ের জন্য ফাঁসির দড়ি গলায় নিচ্ছি। আর তোমরা সেই একই কালেমা বিক্রি করে রুজিরোজগার করছ।”

১৯০৬ সালের ৯ অক্টোবর মিশরের আসিউতের ছোট্ট গ্রামে জন্ম নেওয়া সাইয়েদ কুতুব শৈশবেই কুরআন হিফজ করেছিলেন। তাঁর চোখে ছিল কাব্যের স্বপ্ন, কানে বাজত সাহিত্যের সুর। কৈশোরে কবিতা লিখে তিনি মন জয় করতেন, তরুণ বয়সে সমালোচনা লিখে সাহিত্য অঙ্গনে জায়গা করে নিলেন। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে দিল খ্যাতি, দিল পরিচিতি। কিন্তু খ্যাতির আড়ালে তাঁর অন্তরে জন্ম নিচ্ছিল এক গভীর অস্থিরতা। কেন এই সমাজ এত ভগ্ন, কেন মুসলমানরা নামমাত্র মুসলমান হয়ে আছে, কেন শাসনব্যবস্থা ইসলামের পথ ছেড়ে জাহেলিয়াতের আঁধারে হাঁটছে—এই প্রশ্নগুলো তাঁকে তাড়া করতে লাগল।

তিনি বুঝলেন, সাহিত্য দিয়ে হৃদয় ছোঁয়া যায়, কিন্তু সমাজ বদলানো যায় না; আর কেবল কাব্যের ভাষা দিয়ে উম্মাহকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। তখনই তাঁর কলমের মোড় ঘুরে গেল। সাহিত্যিক সাইয়েদ কুতুব রূপ নিলেন চিন্তাবিদ ও দার্শনিক কুতুব-এ, যিনি কলমকে বানালেন আল্লাহর পথে সংগ্রামের অস্ত্র। মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি তাঁর বুদ্ধি ও সৃজনশীলতাকে ঢেলে দিলেন আন্দোলনের পথে। তাঁর গ্রন্থ “ফি জিলালিল কুরআন” ছিল কুরআনের ছায়াতলে নতুনভাবে জীবনকে বোঝার এক অবিনশ্বর প্রয়াস, আর “মা’আলিম ফিৎতারিক” হয়ে উঠল যুগান্তকারী ঘোষণাপত্র, যা তরুণদের শিখাল—এই জাহেলিয়াত ভাঙতে হলে আল্লাহর কালেমা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই।

কিন্তু সত্যের এই ভাষণ সহ্য হলো না মিশরের জালিম শাসক জামাল আবদুন নাসেরের। ১৯৫৪ সালে তাঁকে গ্রেফতার করা হলো, শুরু হলো দীর্ঘ কারাবাস। সেই কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে তাঁর শরীরকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল অকল্পনীয় নির্যাতনে। কখনো উত্তপ্ত লোহার সলাকা গরম করে তাঁর গায়ে চাপানো হতো, কখনো বরফ-ঠান্ডা পানিতে ফেলে রাখা হতো দীর্ঘসময়। অন্ধকারে লেলিয়ে দেওয়া হতো হিংস্র কুকুর। তিনি ছিলেন একজন পাতলা গড়নের মানুষ, রোগে ভুগতেন প্রায়ই; তবুও তাঁর মনোবল ভাঙতে পারেনি শাসকের নির্যাতন। প্রতিবারই তাঁর ঠোঁট থেকে উচ্চারিত হতো একটাই শব্দ—“আল্লাহু আকবার।”

একসময় তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হলো—চাইলে তিনি মন্ত্রী হতে পারেন। কলমের জাদু, সাহিত্যিক খ্যাতি, রাজনৈতিক প্রভাব সব মিলিয়ে তাঁর হাতে ক্ষমতার দরজা খুলে দেওয়া হতো। কিন্তু তিনি দৃপ্ত কণ্ঠে প্রত্যাখ্যান করলেন—“মন্ত্রীত্ব তখনই নেব, যখন শিক্ষাব্যবস্থাকে ইসলামী ছাঁচে সাজাতে পারব।” এই উত্তরেই স্পষ্ট হলো, তিনি কোনো দুনিয়াবি পদ বা প্রতিপত্তির লোভে মাথা নোয়াতে আসেননি।

আদালতের কাঠগড়ায় তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো—“মুসলিম নামধারী এই শাসক কি কাফের?” তিনি দ্বিধাহীন কণ্ঠে বললেন—“সে কাফের।” সাথীরা ফিসফিস করে বলল, “হুজুর, কৌশলে বললেও তো হতো।” তিনি তখনো অটল থাকলেন—“আকীদার প্রশ্নে কোনো কৌশল চলে না।” সত্যের সামনে তিনি কোনো দিন নরম হননি, আর মিথ্যার সঙ্গে কোনো আপস করেননি।

১৯৬৬ সালের ২৯ আগস্ট ভোরবেলা তাঁকে নিয়ে আসা হলো ফাঁসির মঞ্চে। ফজরের সময় তখনো বাকি, আকাশে ছড়িয়ে পড়ছিল হালকা আলো। তাঁর চোখে কোনো ভয়ের ছায়া ছিল না, বরং ছিল অদ্ভুত প্রশান্তি। শেষ মুহূর্তে এক আলেম তাঁকে বললেন, “কালেমা পড়ে নিন।” তখনই তিনি সেই অমর বাণী উচ্চারণ করলেন—
“আমরা লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহ কালেমার বিজয়ের জন্য ফাঁসির দড়ি গলায় নিচ্ছি। আর তোমরা সেই একই কালেমা বিক্রি করে রুজিরোজগার করছ।”

এরপর তাঁর ঠোঁট থেকে বের হলো চূড়ান্ত সাক্ষ্য—“আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।” ফাঁসির দড়ি টেনে ধরা হলো, কিন্তু সেদিন পৃথিবী একজন মানুষকে হারালেও, ইসলামী আন্দোলন পেল এক অমর শহীদের উত্তরাধিকার।

সাইয়েদ কুতুব রহ.-এর শাহাদাতের খবর ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো বিশ্বে। একদিকে তাঁর হত্যার মাধ্যমে শাসকেরা ভেবেছিল ইসলামি আন্দোলন স্তব্ধ হয়ে যাবে; অন্যদিকে তাঁর রক্ত উল্টো তরুণ প্রজন্মের রগে জ্বালিয়ে দিল আগুন। তাঁর লেখা বই এখনো মিশরের কারাগারের দেয়াল ভেদ করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া থেকে শুরু করে পশ্চিমের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আলো ছড়াচ্ছে। তিনি প্রমাণ করে গেছেন, আকীদা কোনো আপসের বিষয় নয়। এক কালেমার ওপর দাঁড়িয়েই গড়ে তোলা যায় সভ্যতা, আর সেই এক কালেমার জন্য গলায় নেওয়া যায় ফাঁসির দড়ি।

শাহাদাতের এত বছর পরেও তাঁর নাম উচ্চারণ করলেই হৃদয়ে জ্বলে ওঠে আলো, বুকে সঞ্চারিত হয় সাহস। তিনি হয়ে আছেন আমাদের সময়ের শহীদ, আমাদের চিন্তার মুজাহিদ, যিনি দেখিয়ে গেছেন—শরীরকে হত্যা করা যায়, কিন্তু সত্যকে হত্যা করা যায় না।

লেখক ও কলামিস্ট, শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর

1

বকশীগঞ্জে ১- হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার স্বামী স্ত্রীসহ গ্রেফতার -৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
বকশীগঞ্জে ১- হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার স্বামী স্ত্রীসহ গ্রেফতার -৩

 

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১- হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ ।

শুক্রবার দিবাগত  রাত  ২টার দিকে উপজেলার নিলাখিয়া ইউনিয়নের জানকিপুর সলইমন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন,নিলাখিয়া ইউনিয়নে জানকিপুর সলইমন্ডলপাড়া আব্দুল বারেক ছেলে মোঃ আরিফ হোসেন (৩০), ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম (২৫), কক্সবাজার জেলার রামু থানার জুয়াইনালা ইউনিয়নের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল মান্নান (৪২)।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে জানকিপুর সলইমন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাদের দেহ তল্লাশি করে ১- হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এই ব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে।শনিবার তাদেরকে জামালপুর কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:৫৪ এম
বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন   উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জামালপুরে চালু হতে যাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচির আওতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের  টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা  গ্রামে ১ হাজার ২৯৫ টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

আগামি ১৬ মে শনিবার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা নাসির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

তিনি জানান, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য সরকার কার্যক্রম শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড , বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও খাল পুন:খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বকশীগঞ্জ উপজেলাতেও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোছা. কনিকা খাতুন জানান, বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা গ্রামে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।শনিবার উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হবে ফ্যামিলি কার্ড।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে আরো উপস্থিত থাকবেন জামালপুর জেলার আরো ৫ জন সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দরা ।

প্রেস ব্রিফিংকালে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

1

নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে উপজেলার রাথুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাথুরা এলাকার বিশু মার্কেট সংলগ্ন সালামের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে মোট ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আরশেদ আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম রাজিব (২৬) ও মৃত শ্যামল কৃষ্ণ সাহার ছেলে রবিন্দ্র সাহা (৪০)। এর মধ্যে রাজিবের কাছ থেকে ৯ পিস এবং রবিন্দ্র সাহার কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন নাগরপুর থানার এসআই (নিঃ) রাকিব কায়নার শুভ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন এএসআই আবু তাহের, এএসআই আতিকুর রহমান এবং কনস্টেবল রিয়াজ উদ্দীন। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে রাথুরাসহ আশপাশের এলাকায় মাদকসেবীদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল। নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মুরাদ হোসেন মুঠোফোনে বলেন,“মাদকের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানা পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।