1
হরমুজ নিয়ে অনিশ্চয়তা : বাড়ল তেলের দাম

ডেস্ক নিউজঃ
ইরানকে ঘিরে টানা সামরিক উত্তেজনার মধ্যে এবার দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও বাড়তে শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এশিয়ায় সকালের লেনদেনে অপরিশোধিত তেলের মূল্যে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ২.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৬.৭০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ২.৮ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৯৬.৯০ ডলারে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এবারের সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত ছিল এই জলপথ দিয়ে পুনরায় জাহাজ চলাচল শুরু করা। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ইরানের নৌবাহিনী ইতিমধ্যে জাহাজগুলোকে সতর্ক করে জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া এই প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
তবে মালয়েশিয়া, ভারত ও ফিলিপাইনের মতো কয়েকটি দেশ তাদের জাহাজের জন্য নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়ে সমঝোতা করেছে, তবে সাধারণ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এখনো স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক নিচে। প্রতিদিন যেখানে গড়ে ১৩০টি জাহাজ যাতায়াত করত, সেখানে এখন হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি জাহাজ পার হচ্ছে।
সৌজন্য:- AP
1
পেট্রোল ও অকটেন মজুত আছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

ডেস্ক নিউজঃ
দেশে আগামী দুই মাসের পেট্রোল ও অকটেন মজুত আছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, এই মুহূর্তে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই। বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৪৩ হাজার টন ডিজেল, ৯ হাজার ৫৬৯ টন অকটেন ও ১৬ হাজার ৮১২ টন পেট্রোল মজুত আছে। আগামী দুই মাসে পেট্রোল-অকটেনের কোনো সংকট হবে না।
তিনি বলেন, এখন ডিজেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১০০ টাকায়, কিন্তু সমন্বয় করলে এর প্রকৃত মূল্য দাঁড়ায় ১৫৫ টাকা। প্রতি লিটার ডিজেলে ৫৫ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। প্রতি মাসে জ্বালানি তেলে আড়াই থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি যাচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
মনির চৌধুরী বলেন, এ পর্যন্ত সারা দেশে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৪২ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। মজুত ও অতিরিক্ত কেনার প্রবণতা পরিবর্তন না হলে সমস্যার সমাধান হবে না। যুদ্ধ কেটে গেলেও দীর্ঘমেয়াদে মজুত বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। বলেন, অন্তত ৩ মাসের জ্বালানি মজুতের সক্ষমতা তৈরি করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধ হলেও দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব থাকবে জানিয়ে মনির হোসেন বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়; বিশ্বের সব দেশেই যুদ্ধের প্রভাব থাকবে। চলতি এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি সরকার। জনগণের কথা চিন্তা করেই বাড়ানো হয়নি।
সৌজন্য: AP









